বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ ফারুক হোসাইন, জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাটঃ-

প্রেমের টানে স্বামীর ঘর ছাড়লেন স্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:৪৯ পিএম | 333 বার পড়া হয়েছে
প্রেমের টানে স্বামীর ঘর ছাড়লেন স্ত্রী

লালমনিরহাট সদর থানা এলাকার এক গৃহবধূর ৪ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। হঠাৎ করেই তিনি বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন প্রেমিকের হাত ধরে তিনি চম্পট দিয়েছেন।

১৬ বছর দাম্পত্য জীবনের পরও এ গৃহবধূ ঘর ছাড়লেন। পরিবারের লোকজন থানায় এসে অভিযোগ করছেন। কিন্তু তেমন কিছুই করা যাচ্ছে না।

গত শনিবার (৫ এপ্রিল) লালমনিরহাট সদর থানার মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা এলাকাতে এমন ঘটনা ঘটেছে।

রোববার ও সোমবার (৬ ও ৭ এপ্রিল) লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে কোদালখাতা গ্রামের মোঃ ইসরাইল হোসেন এ অভিযোগ করেছেন।

লালমনিরহাট সদর থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমি মোঃ ইসরাইল হোসেন (৬৪), পিতা মৃত: আহাম্মদ আলী, সাং- কোদালখাতা, ওয়ার্ড নং-৯, ইউনিয়ন: মোগলহাট, থানা ও জেলা: লালমনিরহাট। থানায় উপস্থিত হইয়া এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, আমার বসতবাড়ির সাথে পাকা রাস্তা সংলগ্ন স্থানে চায়ের দোকান দিয়া দীর্ঘদিন হইতে ব্যবসা করিয়া আসিতেছি। এমতাবস্থায় আমার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর প্রায় ১৬ বছর পূর্বে মোছাঃ সুপালী বেগম (৪০), পিতা মৃত: নাইয়া জব্বার, মাতা: মোছাঃ তছিরন বেগম, সাং- পুটিমারী, আবাসন প্রকল্প, থানা: চিলমারী, জেলা: কুড়িগ্রাম কে দ্বিতীয় বিবাহ করিয়া ঘর সংসার করাকালীন ১টি মেয়ে মোছাঃ ঈশামনি খাতুন (৪) এর পিতা হই। আমার বাড়ির পার্শে চায়ের দোকান হওয়ায় প্রায় সময় আমি ও আমার স্ত্রীসহ চায়ের দোকান ব্যবসা করিয়া আসিতেছি। আমার উক্ত দ্বিতীয় স্ত্রী সুপালী বেগম প্রায় সময় তার পিত্রালয়ে চলিয়া গেলে সহজে আসতে চায় না। পরে অনেক লোকজানের সহায়তায় আমার স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে এসে সংসার করিয়া আসিতেছি। ইহারপর ০৪-০৪-২০২৫ইং তারিখ দুপুরের দিকে আমার স্ত্রীর অনুরোধে তার পিত্রালয়ে বেড়াতে যাই। ইহার সুযোগে ০৫-০৪-২০২৫ইং তারিখ বেলা অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় উক্ত দ্বিতীয় স্ত্রী সুপালী বেগম তার কাছে রক্ষিত ব্যবসায় রাখা নগদ ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা ও স্বর্ণ অলংকারসহ বিভিন্ন মালামাল প্রায় ৯০,০০০/- (নব্বই হাজার) টাকার জিনিসপত্র বস্তায় ভরিয়া মেয়েকে বাড়িতে রেখে বাড়ি হইতে বাহির হইয়া তার পিত্রালয়ে চলিয়া যায়। তখন আশপাশ লোকজন সাক্ষী ১। মোঃ আলতাব হোসেন, পিতা মৃত: অহির উদ্দিন ২। মোঃ নুরনবী, পিতা মৃত: ছমেদ আলী ৩। মোঃ লোকমান, পিতা মৃত: পিশু মামুদ, সর্ব সাং- কোদালখাতা, ওয়ার্ড নং- ০৯, ইউনিয়ন: মোগলহাট, থানা ও জেলা: লালমনিরহাটসহ আরও অনেকে আমার স্ত্রী চলিয়া যাওয়া ঘটনা দেখে ও শুনে। পরে আমি শ্বশুর বাড়ি হইতে বাড়িতে আসিয়া আমার স্ত্রীকে না দেখিয়া সাক্ষীগণের মাধ্যমে ঘটনা শুনি ও দেখি। ইহার পর আমার শ্বাশুরী তছিরন বেগমকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার স্ত্রীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলে সে কোন ধরনের কথা বলে না, আবার কখনও মোবাইল ফোন রিসিভ করে না। আমার ও সাক্ষীদের ধারণা হইতেছে যে, আমার স্ত্রী ও তার মাসহ আমার টাকা ও মালামাল আত্মসাৎ করার জন্য আমার স্ত্রীর কোন সন্ধান দিতেছে না কিংবা আমার স্ত্রী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সাথে অজ্ঞাত স্থানে চলিয়া গিয়াছে। বিষয়টি এলাকার লোকজনের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগ দিতে বিলম্ব হইল। অতএব, বর্ণিত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে জনাবের মর্জি হয়।

এলাকাবাসী বলেন, বাড়ি ছাড়ার আগের দিন পর্যন্ত তিনি স্বাভাবিক আচরণ করছেন। তাঁকে দেখে সন্দেহ হওয়ার কারণ নেই। বাড়ি থেকে চম্পট দেওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসছে।

উক্ত গৃহবধূ বাড়ি থেকে চম্পট দেওয়ার আগে স্বামীর বাড়ির নগদ অর্থ ও সমস্ত অলঙ্কার নিয়ে চলে গিয়েছে।

সচেতন নাগরিকরা বলেন, কেউ কেউ ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার তাদের কথা ভাবছেই না। ছেলে বা মেয়েকে ঘরে রেখে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়ছে। শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। সন্তানের থেকেও বহু বধূর কাছে প্রেমিকের ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বয়স সেক্ষেত্রে কোনও বাধা হচ্ছে না।

ভুক্তভোগী মোঃ ইসরাইল হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী সুপালী বেগম আহম্মদ নামের এক ব্যক্তি তার মোবাইল ফোন নম্বরে প্রায় সময় আমার স্ত্রী কথাবার্তা বলে আসতো।

তিনি আরও বলেন, আমার শ্বশুর বাড়িতে খোঁজ খবর নিয়ে জানিতে পারি যে, আমার শাশুড়ি মোছাঃ তছিরন বেগম এর সহায়তায় আমার স্ত্রী সুকালী বেগম, আহম্মদ আলী (৫০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-হরদত্ত, কিশোরগঞ্জ, নওগাঁ এর বাড়িতে চলে যায়। বর্তমানে আমার স্ত্রী উক্ত বিবাদীর কাছে আছে বলে পরস্পর ভাবে জানতে পারি।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, লালমনিরহাট সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাতে চেয়েছে।

অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার সগুনা গ্রামের বাসিন্দা ও দৈনিক চলনবিল প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক রাশিদুল হাসান (৩২) গত ৪ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গুল্টা এলাকায় অবৈধ পুকুর খননে উপজেলা প্রশাসনের একটি অভিযানের সংবাদ সংগ্রহে যান। তার সঙ্গে ছিলেন দৈনিক শ্যামল বাংলা ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার সাংবাদিক খালিদ হাসান।

‎সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে তাড়াশ থানাধীন ধোপাগাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে ঠিকাদার মো. রাজু আহমেদ (৫৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে হাত তুলে বাধা দিলে রাশিদুল হাসানের হাতে ও মাথায় আঘাত লাগে। এতে তার হাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে রক্তপাত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে শাবল ও লোহার রড নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

‎ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা তাড়াশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উল্লেখ্য, তাড়াশ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন পুকুর খননের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব খননের ফলে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবৈধ খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন। অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

error: Content is protected !!