রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

পোশাকের রঙে থাকুক নতুনত্ব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪২ পিএম | 34 বার পড়া হয়েছে
পোশাকের রঙে থাকুক নতুনত্ব

গ্রীষ্মকাল এলেই আমরা সাদা, হালকা গোলাপি এবং অন্যান্য হালকা রঙের পোশাকে ঝুঁকে পড়ি। কারণ, হালকা রঙের পোশাক পরতে আরাম, আবার চোখেরও আরাম। কিন্তু এবারের গ্রীষ্মকালে কড়া এবং উজ্জ্বল রঙের দাপট থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। ফ্যাশন হাউস হরিতকীর সহপ্রতিষ্ঠাতা অনিক কুণ্ডু জানিয়েছেন, চলতি বছরের গ্রীষ্মকালীন ফ্যাশন ট্রেন্ডে কোনো একটি নির্দিষ্ট রঙের রাজত্ব নয়, বরং রংধনুর সব রঙের সমাহার আমাদের মুগ্ধ করবে। এবারের গ্রীষ্মের রংগুলো যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনি আরামদায়ক।

তাই এবারের গ্রীষ্ম ফ্যাশন-সচেতনদের জন্য হতে যাচ্ছে পছন্দের এক বিশাল ভান্ডার। যেখানে বাদ পড়ছে না উজ্জ্বল কড়া রংগুলোও। কোন কোন রঙের পোশাকে এবারের গ্রীষ্মকালীন ওয়ার্ডরোব সাজাতে পারেন, তা দেখে নিন একঝলকে।

ছবি সৌজন্যে: হরিতকী
ছবি সৌজন্যে: হরিতকী

মাখনের মতো হলুদ রং

যাঁরা খুব বেশি উজ্জ্বল রং পরতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না, তাঁদের জন্য বাটার ইয়েলো কিংবা হালকা মাখন হলুদ হতে পারে সেরা পছন্দ। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন উৎসবগুলোর রানওয়েতে এবার এই রঙের আধিপত্য দেখা গেছে; বিশেষ করে লিনেন অথবা সিল্কের পোশাকে এই রং একধরনের আভিজাত্য ও শীতলতা নিয়ে আসে। এই কোমল রঙের সঙ্গে বৈপরীত্য তৈরি করতে কালো রঙের প্যান্ট বা জুতা ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার সাজে শক্তিশালী এবং আধুনিক লুক দেবে।

হালকা গোলাপি

২০২৩ সালে ‘বার্বি’ সিনেমার প্রভাবে কড়া গোলাপির যে প্রচলন হয়েছিল, তা গত বছর পর্যন্ত জত্ব করেছে। কিন্তু এ বছর গোলাপির শেডে এসেছে পরিবর্তন; চলছে হালকা গোলাপির চল। পাতলা অরগ্যাঞ্জা কিংবা শিফন কাপড়ে এই হালকা গোলাপি এখন তরুণদের পছন্দের শীর্ষে। এই রঙের টপসের সঙ্গে ধবধবে সাদা কটন স্কার্ট পরতে পারেন। আর যদি একটু ভিন্নতা এবং নজরকাড়া লুক চান, তবে বাদামি কিংবা চকলেট রঙের সঙ্গে এটি মিলিয়ে পরুন; এটি আধুনিক ও নজরকাড়া কম্বিনেশন।

মোকা মুজ

চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত রং এটি। মূলত কফির একটি গাঢ় বাদামি আভা। পোশাক, চামড়ার ব্যাগ বা জুতা—সব ক্ষেত্রে এই রঙের জয়জয়কার। এটি নিউট্রাল রং হিসেবে কাজ করে, যা অন্য কোনো উজ্জ্বল রঙের সঙ্গে অনায়াসে মানিয়ে যায়। নীল বা লাল রঙের পোশাকের সঙ্গে মোকা মুজ রঙের ব্যাগ কিংবা জুতার ব্যবহার আপনাকে দেখাবে মার্জিত ও আধুনিক।

আকাশি রং

সাদা শার্টের মতো আকাশি নীল রঙের সুতি পোশাক সব সময় আরামদায়ক। এই গরমে হালকা নীল রঙের স্ট্রাইপ শার্ট বা মিডি ড্রেস লুকে দেবে প্রশান্তির ছোঁয়া। আপনি চাইলে হাই-ওয়েস্ট প্যান্ট বা ডেনিমের সঙ্গে এই রঙের শার্ট ইন করে পরতে পারেন। তাতে লুক হবে দারুণ স্মার্ট ও প্রফেশনাল।

আ মুডি প্লাম

প্লাম অথবা গাঢ় জাম রং চলতি বছর ফিরে এসেছে আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে; বিশেষ করে ফরমাল স্যুট কিংবা স্ট্রাকচারড ড্রেসে এই রং গাম্ভীর্য ফুটিয়ে তোলে। যাঁরা একটু গম্ভীর কিন্তু স্টাইলিশ লুক পছন্দ করেন, তাঁরা মাথা থেকে পা পর্যন্ত একই রঙের টোনাল লুক পরে দেখতে পারেন।

ছবি সৌজন্যে: হরিতকী
ছবি সৌজন্যে: হরিতকী

ট্যাঞ্জারিন ও অন্যান্য প্রাইমারি রং

গ্রীষ্মের রোদেলা দিনে ট্যাঞ্জারিন কিংবা লেমন রঙের আবেদন এবার চিরন্তন। এ ছাড়া উজ্জ্বল লাল অথবা নীল রঙের স্পোর্টসওয়্যারও এবার ট্রেন্ডে রয়েছে। এই রংগুলো যেমন প্রাণবন্ত করে তুলবে, তেমনি উৎসবে কিংবা আড্ডায় আপনাকে সবার থেকে আলাদা করে দেবে।

গ্রীষ্মকালীন ফ্যাশন চেকলিস্ট

  • বোল্ড বনাম প্যাস্টেল: যাঁরা উজ্জ্বল রং মোটেই পছন্দ করেন না, তাঁরা বাটার ইয়েলো কিংবা হালকা গোলাপি প্যাস্টেল শেড বেছে নিতে পারেন।
  • মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ: মোকা মুজ বা খাকি রঙের সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের টপস মিলিয়ে পরতে পারেন।
  • অ্যাকসেসরিজ: পোশাক সাধারণ হলেও ব্যাগ কিংবা জুতার ক্ষেত্রে ট্রেন্ডি রংগুলো বেছে নিয়ে চমক দিন।

বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ এএম
বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

 

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী (হাজীগঞ্জ ভাটিটারী) এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী বিনো বালা (৭০), পিতা টয়রা বর্মন, দীর্ঘদিন ধরে মন্টু রাম বর্মনের সঙ্গে জমি নিয়ে মামলায় জড়িয়ে আছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল, ১০-০৪-২৬ আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে

লালমনিরহাট জলা জজ কোর্ট সংশ্লিষ্ট স্টাফ গণেশ চন্দ্র বর্মন ও তার বিয়াই মন্টু রাম বর্মন সহ সহোযোগীদের
নিয়ে বিনো বালার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা মামলা আপোষ-মীমাংসার কথা বলে জোরপূর্বক চারটি স্ট্যাম্পে বিনো বালার টিপসই (স্বাক্ষর) নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় বিনো বালার পুত্রবধূ বিষয়টি টের পেয়ে ঘরে ঢুকে টিপ দেয়া স্টাম্প গুলো কৌসলে হাতে নেয় এবং চিৎকার শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিনো বালার বড় ছেলে সন্তোষ বর্মন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গণেশ চন্দ্র বর্মন প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানির শিকার করছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পরপরই গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীকে।

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর উপজেলার বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে কেশবপুর পইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়। কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কালিয়ারই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. মুনজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অত্র সমিতির সহ- সভাপতি সুপ্রভাত কুমার বসুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, যশোর -৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর পৌর শাখার আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সেন গুপ্ত,এনসিপি কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রধান শিক্ষকগণ, শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ।

নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

 

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করতে ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার সকালে নীলফামারী শহরের শিল্পকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যা জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন কেন্দ্র একযোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে অংশগ্রহণ করে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ছিলো উৎসাহ ও আগ্রহের দৃশ্য।
আয়োজকরা জানান, মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীল দক্ষতা যাচাই করা হয়। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়ায় এবং তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
পরীক্ষা শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল প্রকাশের পর কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সামগ্রিকভাবে, ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ নীলফামারীর শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী তারিখঃ ১১-০৪-২০২৬ মোবাইলঃ ০১৬১৪৬৫৩৮৩১

error: Content is protected !!