রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

বিনয়ী মানুষের দেশ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম | 50 বার পড়া হয়েছে
বিনয়ী মানুষের দেশ

ভ্রমণের আনন্দ শুধু দর্শনীয় জায়গা দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; স্থানীয় মানুষের আচার, ব্যবহার ও আতিথেয়তা আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আমূল বদলে দিতে পারে। সম্প্রতি ‘রেমিটলি’ বিশ্বের ‘ভদ্র’ বা মার্জিত দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ২৬টি দেশের ৪ হাজার ৬০০ মানুষের ওপর পরিচালিত এই জরিপে উঠে এসেছে সেসব দেশের নাম, যেগুলোতে স্থানীয়রা পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি সম্মান ও বিনয়ের সঙ্গে বরণ করে নেয়। জরিপে দেখা গেছে, কিছু নির্দিষ্ট দেশের মানুষের আচার, আচরণ পর্যটকদের মনে গভীর দাগ কেটেছে।

জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য ও কানাডার মানুষের মধ্যে একটি অদ্ভুত মিল পাওয়া গেছে। উভয় দেশের মানুষ তুচ্ছ বিষয়েও বারবার ক্ষমা চাওয়ার কিংবা ‘সরি’ বলার জন্য বিখ্যাত। বিনয় কিংবা শিষ্টাচার একেক সংস্কৃতিতে একেক রকম হতে পারে। যেমন জাপানে মাথা নত করে সম্মান জানানো হয়, কানাডায় বারবার ক্ষমা চাওয়া হয় কোনো ভুলের জন্য, আবার জার্মানিতে সময়ানুবর্তিতা বা শান্ত পরিবেশ বজায় রেখে সম্মান জানানো হয় অতিথিদের। তবে সার্বিকভাবে মানুষ নিজেদের বেশ বিনয়ী বলেই ধারণা করে।

বিশ্বের পাঁচ বিনয়ী বা মার্জিত দেশ

জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মতে, বিশ্বের শীর্ষ ৫টি বিনয়ী দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে জাপান। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩৫ দশমিক ১৫ শতাংশ মানুষ এমনটিই ধারণা করে থাকে। জাপানিরা মাথা নত করে কাউকে অভিবাদন জানানো, সম্মানসূচক ভাষা এবং সামাজিক সম্প্রীতির জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিনয়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে কানাডার খ্যাতি রয়েছে। তাই র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশটি দ্বিতীয় স্থানে আছে। জরিপে ১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ মানুষ দেশটিকে ‘মার্জিত দেশ’ হিসেবে ভোট দিয়েছে। যদিও কানাডিয়ানদের নিয়ে প্রায়ই এমন রসিকতা করা হয় যে তারা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরের জিনিসের জন্যও ক্ষমা চায়। তবে এই ধারণা একটি বৈচিত্র্যময় সমাজের অতি সরলীকরণমাত্র। নতুনদের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মানসিকতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য—সবকিছু মিলিয়ে কানাডা পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় গন্তব্য।

ব্রিটিশদের কাছ থেকে শিষ্টাচার-সংক্রান্ত প্রত্যাশা অনেকটা কানাডিয়ানদের মতোই; ঘন ঘন ক্ষমা চাওয়া এবং ‘প্লিজ’ ও ‘থ্যাংক ইউ’ বলা ব্রিটিশদের আচরণের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আর সে কারণেই জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ মানুষ মনে করে, যুক্তরাজ্য বিশ্বের অন্যতম বিনয়ী মানুষের দেশ। দেশটির শক্তিশালী কিউয়িং বা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর সংস্কৃতি দৈনন্দিন সামাজিক মেলামেশায় শিষ্টাচার মিশে থাকার আরেকটি বড় প্রমাণ। ব্রিটিশ সংস্কৃতির আরেকটি স্বতন্ত্র দিক হলো তাদের দারুণ রসবোধ, যা হয়তো সব সময় প্রথাগতভাবে মার্জিত নয়।

তালিকার চার নম্বর অবস্থানে রয়েছে চীন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশের কাছে দেশটি মার্জিত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখানকার শিষ্টাচার প্রায়ই কনফুসীয় মূল্যবোধে প্রভাবিত ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে; যা সম্মান, শ্রেণিবিন্যাস

এবং সামাজিক সম্প্রীতির ওপর জোর দেয়। এটি বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো থেকে শুরু করে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে চলা এবং মতবিরোধ সূক্ষ্মভাবে সমাধান করার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এখানকার মানুষ পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং দৈনন্দিন সামাজিক মিথস্ক্রিয়ায় সৌজন্য প্রকাশকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করে থাকে। রেমিটলির তৈরি এই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে জার্মানি। জরিপে অংশ নেওয়া ২ দশমিক ৮০ শতাংশ মানুষ মার্জিত দেশ হিসেবে ভোট দিয়েছে জার্মানির পক্ষে। এ ছাড়া দেশটিতে শিষ্টাচার, সরাসরি যোগাযোগ এবং গোপনীয়তার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়। দৈনন্দিন আলাপচারিতায় সময় সাধারণত একটি আনুষ্ঠানিক ভঙ্গি ব্যবহার করা হয়। তবে সম্পর্ক গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও সহজ হয়ে ওঠে।

আপনার ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য এই দেশগুলো বেছে নিতে পারেন।

বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ এএম
বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

 

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী (হাজীগঞ্জ ভাটিটারী) এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী বিনো বালা (৭০), পিতা টয়রা বর্মন, দীর্ঘদিন ধরে মন্টু রাম বর্মনের সঙ্গে জমি নিয়ে মামলায় জড়িয়ে আছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল, ১০-০৪-২৬ আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে

লালমনিরহাট জলা জজ কোর্ট সংশ্লিষ্ট স্টাফ গণেশ চন্দ্র বর্মন ও তার বিয়াই মন্টু রাম বর্মন সহ সহোযোগীদের
নিয়ে বিনো বালার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা মামলা আপোষ-মীমাংসার কথা বলে জোরপূর্বক চারটি স্ট্যাম্পে বিনো বালার টিপসই (স্বাক্ষর) নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় বিনো বালার পুত্রবধূ বিষয়টি টের পেয়ে ঘরে ঢুকে টিপ দেয়া স্টাম্প গুলো কৌসলে হাতে নেয় এবং চিৎকার শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিনো বালার বড় ছেলে সন্তোষ বর্মন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গণেশ চন্দ্র বর্মন প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানির শিকার করছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পরপরই গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীকে।

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর উপজেলার বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে কেশবপুর পইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়। কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কালিয়ারই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. মুনজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অত্র সমিতির সহ- সভাপতি সুপ্রভাত কুমার বসুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, যশোর -৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর পৌর শাখার আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সেন গুপ্ত,এনসিপি কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রধান শিক্ষকগণ, শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ।

নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

 

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করতে ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার সকালে নীলফামারী শহরের শিল্পকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যা জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন কেন্দ্র একযোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে অংশগ্রহণ করে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ছিলো উৎসাহ ও আগ্রহের দৃশ্য।
আয়োজকরা জানান, মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীল দক্ষতা যাচাই করা হয়। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়ায় এবং তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
পরীক্ষা শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল প্রকাশের পর কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সামগ্রিকভাবে, ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ নীলফামারীর শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী তারিখঃ ১১-০৪-২০২৬ মোবাইলঃ ০১৬১৪৬৫৩৮৩১

error: Content is protected !!