দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।
রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি খাস পুকুর লিজ ইজারায় বিভিন্ন সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তাদের উপর ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পুকুর লিজ নিয়ে তারা নিজেরা মাছ চাষ করেনা, এতে দেখা যায় সরকারি শর্তাবলী লংঘন করে এবং তাদের দেওয়া অঙ্গীকার তারা নিজেরাই ভঙ্গ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে অচল সমিতিকে পুকুর পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদান। তিন বছর পর পর কুকুর লিজ নিয়ে,লিজ দেয়াই তাদের ব্যবসা। সমিতির কেউ পুকুর সরেজমিনে চিনেনা। এ ব্যবসা দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটি সমিতির ম্যানেজার/সাধারণ সম্পাদক, লিজ বানিজ্য বন্ধ করতে, প্রমাণ সহ লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী বাদী মোঃ জফির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক/ ম্যানেজার, “আমার বাড়ি আমার খামার সমিতির পক্ষে লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লীজ বাতিলের আবেদন করেছেন। তার দাবি তার সমিতির দর অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও সে পুকুর পায়নি। অনেক অচল সমিতি দির্ঘদিন কার্যক্রম নেই, সেগুলো সমিতি শুধু মাত্র পুকুর নেয়ার জন্য প্রত্যয়নপত্র, রেজুলেশন,অডিট ইত্যাদি কাগজপত্র তৈরি করে এগুলো অপকর্মে জড়িত আছেন। কিছু দালাল চক্র মোঃ গোলাম মোস্তফা মান্নান, অফিস সহকারী কৃষ্ণপুর মাদ্রাসা এই দালালের কাজ মাধ্যম হয়ে পুকুর দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করা। সমিতির সভাপতির কাগজপত্র টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে ব্যবসা করাই তার কাজ। যাচাই বাছাই তদন্ত না করেই এগুলো সমিতিকে পুকুর লিজ দিয়েছেন। কিছু পুকুর লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন অনেকে। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছেন,কোন সমাধান এখনো হয়নি। কিছু সমিতির সভাপতি টাকার বিনিময়ে সমিতি বিক্রি করে দিয়েছে আগেই। দ্বিতীয় বার আবার পুকুর দেখা শুনা করার জন্য সমিতির সভাপতি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে, অন্য ব্যক্তির কাছে পুকুর লিজ প্রদান করে দেয়। কোন সমিতির সভাপতি নিজেরা পুকুরে মাছ চাষ করে না। এলাকার লোকজন বলছে এরা অপরাধী। পুকুর লিজ ছাড়া এদের কোন ভিত্তি নেই। অনেকেই কাগজপত্র তৈরি করে জাল স্বাক্ষর করে,পুকুর লিজ পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করছেন। নামে মাত্র মৎস্য জীবী সমিতি,বাস্তবে এদের কিছু নেই। সভাপতি একাই যা করে তাই, সদস্যরা তেমন অবগত নয়। অভিযুক্ত পুকুরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মৌজা বিআড়, জে এল নং ৮৯, দাগ নং ৫৩৪, পরিমাণ ৫৮, শতাংশ। কিসমত বগুড়া , জে এল নং ৮২, দাগ নং ৮১৮, রকম পুকুর, খতিয়ান ১,
পরিমাণ ৭৪ শতাংশ। মৌজার রঘুনাথপুর,জে এল নং ৮৫, খতিয়ান১,দাগ নং ১৮৮৭,পরিমাণ ৭০ শতক। মৌজা রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫, খতিয়ান নং১,দাগ নং ১৬৩৯,পরিমাণ ১.৯০ একর। উল্লেখিত পুকুর গুলো সমিতির সভাপতিগন সাব- লীজ দিয়েছে,কেউ আবার দেখা শুনা করার জন্য স্ট্যাম্প করে লিজ প্রদান করেছেন। তদন্ত পূর্বক,অবৈধ লিজ বাতিল করতে, প্রশাসনের কাছে একান্ত দাবি।

















