শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনের প্রতিনিধিপ্রেসক্লাবের সভাপতির সম্মেলনে : ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ঢাকা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম | 55 বার পড়া হয়েছে
দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনের প্রতিনিধিপ্রেসক্লাবের সভাপতির সম্মেলনে : ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ঢাকা

মানবাধিকার রক্ষা ও গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে “মানবাধিকার প্রতিদিন” পত্রিকার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য প্রতিনিধি সম্মেলন, আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত প্রতিনিধিদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এবং তাৎপর্যপূর্ণ।
সম্মেলনের শুরুতেই মানবাধিকার বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি, সাংবাদিকতার নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়বদ্ধতা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্য উপস্থাপনা করা হয়। এতে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,
“সত্য প্রকাশে নিরপেক্ষতা, আর শক্তিতে ঐক্য—এই দুটিই সাংবাদিকতার প্রাণ। মানবাধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, “একজন সাংবাদিক শুধু খবর পরিবেশন করেন না, বরং সমাজের বিবেক হিসেবে কাজ করেন। তাই প্রতিটি সংবাদে সত্য, ন্যায় এবং মানবিকতা প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। এ সময় তিনি আরো বলেন সাংবাদিকদের মান উন্নয়নের জন্য প্রতিটি সাংবাদিকের সরকারি ভাতার কাড চালু করতে হবে। বেশি বেশি সাংবাদিকদের সরকারি সুবিধা দিতে হবে এবং সরকারিভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল খান রুবেল, সিইও, ন্যাচারাল ভার্চু। তিনি বলেন,
“বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। সঠিকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের এই দিকটি গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি প্রতিনিধিদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক সাংবাদিকতায় নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন,
“মানবাধিকার শুধু একটি তাত্ত্বিক বিষয় নয়, এটি বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি দায়িত্ব। সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, “এই প্রতিনিধি সম্মেলন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ঐক্য গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
সভায় বক্তারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। তারা বলেন, তথ্য যাচাই-বাছাই করে সত্য সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো: আজহার আলী, মো: কুতুব উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আশা প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। অনেকেই মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা শেয়ার করেন এবং এর সমাধানে কেন্দ্রীয়ভাবে সহযোগিতা বৃদ্ধির দাবি জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা মানবাধিকার রক্ষায় আরও সক্রিয় ও সংগঠিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সম্মেলন নিয়মিত আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্মেলনটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, বরং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠান শেষে সকলের দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের যুক্ত হয়।

কে এই মুকুল চৌধুরী?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম
কে এই মুকুল চৌধুরী?

দৌড়ে এক রান নিতেই উৎসব শুরু লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের। কলকাতার ইডেন গার্ডেনসের দর্শকদের কাঁদিয়ে মুকুল চৌধুরী শূন্যে মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন করেছেন। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন ২১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে যে মুকুল লক্ষ্ণৌকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছেন, তাঁকে কাঁধে তুলে শূন্যে উদযাপনে ব্যস্ত সতীর্থরা।

কলকাতার বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে নেওয়া মুকুল এবারই প্রথমবার খেলছেন আইপিএলে। নিলাম থেকে তাঁকে ২ কোটি ৬০ লাখ রুপিতে নেয় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। পেশাদার ক্রিকেটেও খুব একটা নিয়মিত নন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৪, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৫, টি-টোয়েন্টিতে ১০ ম্যাচ—সব মিলিয়ে ১৯ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গতকাল ২৭ বলে ৫৪ রানের যে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, তার মধ্যে ৫০ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে। ৭ ছক্কা ও ২ চার মেরেছেন তিনি।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজস্থানের জার্সিতে ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় মুকুলের। সাদা পোশাকে চার ম্যাচে করেছেন ১০৩ রান। যেখানে সর্বোচ্চ স্কোর ৪৫। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৫ ম্যাচ মিলিয়ে ১০০ রানও করতে পারেননি (সাদা বলের এই সংস্করণে তাঁর রান ৭১)। তবে সীমিত ওভারের আরেক সংস্করণ টি-টোয়েন্টিতে তিনি অন্য রকম। ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১০ টি-টোয়েন্টিতে ৪৬.৬৭ গড় ও ১৬৪.৭০ স্ট্রাইকরেটে করেন ২৮০ রান। করেছেন তিন ফিফটি।

প্রথমে মিডিয়াম পেসার হলেও পরে উইকেটরক্ষক হিসেবে খেলেন। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে তিনি নজর কাড়েন। ২০২৫-২৬ মৌসুমের সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে তিনি ৫ ইনিংসে করেন ১৭৩ রান। তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল ১৯৮.৮৫। এই বিধ্বংসী ব্যাটিংই তাঁকে আইপিএলে দল পেতে সহায়তা করে। রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে কাড়াকাড়িতে তাঁকে নেয় মুকুল।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে গতকাল ২৭ বলে ৫৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন মুকুল। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল তখনই, যখন আমার বাবা বিয়েও করেননি। তাঁর স্বপ্ন ছিল, তাঁর ছেলে যেন ক্রিকেট খেলে। আমি বয়সভিত্তিক পর্যায় থেকে শুরু করি। কিন্তু সিকিমে ভালো কোনো একাডেমি ছিল না। আমি দিল্লি এবং গুরগাঁওয়ে ম্যাচ খেলতাম। সেটাই আমাকে সাহায্য করেছে। যখন অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে উত্তর প্রদেশের বিরুদ্ধে খেলছিলাম, সেটা ছিল লো-স্কোরিং। তবে আমার সেই স্কোর দেখে অনেকেই বুঝতে পেরেছিলেন কিছু করতে পারব। সেটা ছিল মাত্র আমার দ্বিতীয় ম্যাচ।’

কলকাতার দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৮ ওভার শেষে লক্ষ্ণৌর স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৫২ রান। ২ ওভারে ৩০ রানের সমীকরণ হলেও মুকুল ঘাবড়ে যাননি। ১৯তম ওভারে ক্যামেরন গ্রিনকে দুই ছক্কা ও এক চার মেরে একাই ১৬ রান নেন মুকুল। আর শেষ দুই বলে যখন ৭ রানের সমীকরণ, তখন ডিপ এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে স্কোর সমতায় আনেন। শেষ বলে কলকাতা উইকেরটক্ষক অংক্রীশ রঘুবংশী মিস করায় সেই সুযোগে এক রান নিয়ে ম্যাচ জেতান মুকুল।

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুকুল বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন। এখানে চাপ ছিল। একই সঙ্গে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগও ছিল। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করা ছিল আমার লক্ষ্য। প্রথম ছক্কাটা আমার ভালো লেগেছে। কারণ, আগের দুই ম্যাচে একটা ছক্কাও মারিনি। প্রথমটা তাই ছিল বিশেষ। আমার মনে ছিল যে চার বলের মধ্যে একটা বাজে বল আসবেই। সেটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। ছোটবেলা থেকেই আমি ছক্কা মারতে পছন্দ করি।’

এবারের আইপিএলে নিজের প্রথম দুই ম্যাচ মিলিয়ে মুকুল করেন ১৬ রান। তিনি গতকাল চাপ সামলে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে নজর কেড়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। তাঁর দল লক্ষ্ণৌ ১০ দলের মধ্যে পাঁচ নম্বরে রয়েছে। ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ১ হারে দলটির পয়েন্ট চার।

বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিশিয়ালদের মধ্যে ব্রাজিল-আর্জেন্টাইনরাই সবচেয়ে বেশি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিশিয়ালদের মধ্যে ব্রাজিল-আর্জেন্টাইনরাই সবচেয়ে বেশি

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিশিয়ালদের নাম প্রকাশ করেছে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় হতে যাওয়া ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ১৭০ ম্যাচ কর্মকর্তা থাকছেন। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বিশাল এই বহরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার কর্মকর্তাদের সংখ্যাই বেশি।

১৭০ ম্যাচ কর্মকর্তার মধ্যে আছেন ৫২ রেফারি, ৮৮ সহকারী রেফারি ও ভিডিওতে কাজ করবেন ৩০ জন। ৪৯ দেশ থেকে এই কর্মকর্তাদের নিয়েছে ফিফা। সর্বোচ্চ ৯ জন করে আছেন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে। আট কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের। সাতজন করে আছেন মেক্সিকো ও ফ্রান্স থেকে। বিশ্বকাপে ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিশাল বহরে আছেন ছয় নারী কর্মকর্তা। যাঁদের মধ্যে আছেন পেনসো, ব্রুক মায়ো, ক্যাথরিন নেসবিট, স্টেফানে ফ্রাপার্টরা।

৩৯ বছর বয়সী পেনসো ২০২৩ নারী বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আছেন দুই সহকারী রেফারি ব্রুক ও ক্যাথরিন। আর বোনাপার্ট ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোনো নারী হিসেবে ছেলেদের ম্যাচে রেফারিং করে ইতিহাস গড়েছিলেন।

১৭০ ম্যাচ অফিশিয়ালের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগ ও মেজর লিগ সকার (এমএলএস) থেকে আছেন সাত ও ১১ অফিশিয়াল। তা ছাড়া পোল্যান্ডের সায়মন মার্চিনিয়াকও আছেন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে। কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফাইনালে রেফারিংও করেছিলেন তিনি।

এবারই প্রথমবারের মতো হচ্ছে ৪৮ দলের ফুটবল বিশ্বকাপ। ১১ জুন আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু। ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি-এমিলিয়ানো মার্তিনিজরা এরপর নিজেদের গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচ খেলবেন টেক্সাসের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে। ২২ ও ২৭ জুন অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা।

গ্রুপ পর্ব শেষে শুরু নকআউট পর্ব। শেষ ৩২, শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল শেষে হবে ফাইনাল। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে ১৮ জুলাই হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই।

১৭০ ম্যাচ অফিশিয়ালদের কারা কোন দেশের

আর্জেন্টিনা — ৯
ব্রাজিল — ৯
যুক্তরাষ্ট্র — ৮
মেক্সিকো — ৭
ফ্রান্স — ৭
স্পেন — ৪
মরক্কো — ৪
কাতার — ৪
নেদারল্যান্ডস — ৫
পোল্যান্ড — ৪
ইংল্যান্ড — ৭
উরুগুয়ে — ৫
কানাডা — ৩
সৌদি আরব — ৩
অস্ট্রেলিয়া — ৪
মিসর — ৪
চিলি — ৪
ভেনেজুয়েলা — ৪
জাপান — ২
সুইজারল্যান্ড — ৩
কলম্বিয়া — ৩
জার্মানি — ৪
চীন — ৩
সংযুক্ত আরব আমিরাত — ৩
জর্ডান — ৩
সুইডেন — ৩
নরওয়ে — ৩
রোমানিয়া — ৩
পর্তুগাল — ৩
ইতালি — ৪
প্যারাগুয়ে — ৩
কোস্টারিকা — ২
হন্ডুরাস — ৩
উজবেকিস্তান — ৩
স্লোভেনিয়া — ৩
আলজেরিয়া — ৩
গ্যাবন — ৩
পেরু — ২
এল সালভাদর — ২
নিউজিল্যান্ড — ২
দক্ষিণ আফ্রিকা — ২
নিকারাগুয়া — ২
বেলজিয়াম — ১
ক্রোয়েশিয়া — ১
ক্যামেরুন — ১
সোমালিয়া — ১
মরিতানিয়া — ১
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো — ১
অ্যাঙ্গোলা — ১

মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনীর প্রতিশোধ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
মোহামেডানকে হারিয়ে আবাহনীর প্রতিশোধ

৬ বছর কাটিয়েছেন সাদা-কালোদের তাঁবুতে। পরিণত হয়েছিলেন ঘরের ছেলেতে। না হওয়ারও কারণ ছিল না অবশ্য। ফেডারেশন কাপ ও লিগ শিরোপা জয়ের পেছনে তাঁর অবদানই যে বড় ছিল। সেই সুলেমান দিয়াবাতে এবারের মৌসুমে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ছেড়ে যোগ দেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেডে। তাঁর মাধ্যমে আবাহনী যেন কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলল। প্রতিশোধ নিল প্রথম লেগে হারের।

প্রায় এক মাসের বিরতির পর আজ মাঠে ফিরেছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। ফেরার মঞ্চটা সাজানো হয়েছে ঢাকা ডার্বি দিয়ে। যদিও তা এখন বেশির ভাগ সময় কুমিল্লাতেই দেখা যায়। শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে আজকের লড়াইয়ে মোহামেডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আবাহনী। ৩ বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে লিগে জয়ের দেখা পেয়েছে তারা।

লিগে অবশ্য মোহামেডান গত ৬ ম্যাচ ধরে জয়হীন। তবু প্রতিপক্ষ যদি আবাহনী হয়, তাহলে সাদা-কালোদের অতীত আপনার কাছে ঠুনকোই মনে হবে। মৌসুমের প্রথম লেগেই তো আবাহনীকে ৩-২ গোলে হারায় তারা। ফিরতি দেখায় এবার খেলার শুরুতেই তা বুঝিয়ে দেন মুজাফফর মুজাফফরভ। তৃতীয় মিনিট কর্নার থেকে অলিম্পিক গোল করে মোহামেডানকে এগিয়ে দেন তিনি।

সেই লিড ধরে রাখা যে কঠিন হবে সাদা-কালোদের জন্য আবাহনীর কৌশলেই তার ইঙ্গিত মেলে। অষ্টম মিনিটের ভুল শুধরে ১৭ মিনিটে ঠিকই আকাশি–নীলদের সমতায় ফেরান মিরাজুল ইসলাম। এমেকা ওগবুহ পাস থেকে একজনকে কাটিয়ে মোহামেডান গোলরক্ষক সুজন হোসেনকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

বিরতির খেলার গতি আরও বাড়ায় আবাহনী। যদিও গোলরক্ষক মিতুল মারমার সঙ্গে সংঘর্ষে লেগে চোয়ালে চোট পান ডিফেন্ডার হাসান মুরাদ। অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। এরপর মাঠে নামেন শেখ মোরসালিন ও কাজেম শাহ। তাতে মাঝমাঠের দখলটা আরও পোক্ত হয় আকাশি-নীলদের।

৬৬ মিনিটে আরও একটি দুর্দান্ত পাসে আবাহনীকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন এমেকা। তিন ফুটবলারকে কাটিয়ে কাটব্যাকে সুলেমান দিয়াবাতের কাছে বল পাঠান তিনি। ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে দুই ফুটবলারের মাঝখান দিয়ে নিজের সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে প্রথম গোলটি করেন দিয়াবাতে।

শেষ দিকে মোহামেডান আর চেষ্টা করেও সমতায় ফিরতে পারেনি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন মোহামেডানের ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপু। ১১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাতে নেমে যাওয়া সাদা-কালোরা ঘুরপাক খাচ্ছে ব্যর্থতার বৃত্তে। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে আবাহনী। এক ম্যাচ কম খেলে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বসুন্ধরা কিংস।

error: Content is protected !!