বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

দিঘলিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র ডেকে নিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়েছে এক যুবকের

ZAYED HOSSAIN
ZAYED HOSSAIN - Dighlia Representative, Khulna District প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম | 50 বার পড়া হয়েছে
দিঘলিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র ডেকে নিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়েছে এক যুবকের

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটিতে বেজি আল আমিনের নেতৃত্বে ৩/৪ জনের এক সংঘবদ্ধ চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র অস্ত্র ঠেকিয়ে মুরাদ হোসেনের পুত্র কানা শান্তকে ডেকে নিয়ে আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে মেরে হাত পা ভেঙ্গে দেয় এবং তার নিকট থেকে মানিব্যাগসহ সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

সূত্র থেকে জানা যায়, দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বাজার সংলগ্ন মোঃ মুরাদ হোসেনের পুত্র কানা শান্ত ও সেনহাটি শিববাড়ি মন্দীরের পিছনে বেঁদে পাড়ার মৃত জলিল মোল্যার পুত্র বেজি আল আমিন। তারা উভয়ই সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। মাদক, চুরি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই দস্যুতা এ গ্রুপের কাজ। এরা দলে ভারি। কানা শান্ত ও বেজী আল আমীনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা মামলা রয়েছে। সম্প্রতি কানা শান্ত ও বেজি আল আমিন কয়েকবার আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারও হয়েছে। কানা শান্ত জানা গেছে, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে দুইজন লোক নিয়ে সেনহাটি বাজারের একটা বেকারীর সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। এ সময় বেজী আল আমিন ৩/৪ জন লোক নিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং কিছুদূর যাওয়ার পর অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে
রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বেজি আল আমিন এসে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুদূর যাওয়ার পর সে ও তার ৩/৪ জন সহযোগীকে নিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে ধরে এবং অস্ত্রের মুখে জিন্মি করে তাকে সেনহাটি আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার নিকট থাকা টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় এবং তার হাতে থাকা অস্ত্রের বাট দিয়ে পিটিয়ে হাতপা ভেঙে দেয়। তার চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এলে আল-আমিন বাহিনী ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে লোকজন কানা শান্তকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
উল্লেখ্য বেজি আল আমিন জেল থেকে বেরিয়ে দিনে খুলনা শহরের দৌলতপুর ও খালিশপুর থানা এলাকায় অবস্থান করে। রাতে ভৈরব নদী পার হয়ে সেনহাটি এলাকায় এসে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলোক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে জেলে দিলেও আইনের ফাঁক ফোঁকরে বেরিয়ে এসে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এদের অর্থের প্রধান উৎস হলো মাদক ও চুরিসহ চাঁদাবাজি। শান্ত ও আল আমিনগং একই গ্রুপের সদস্য হলেও এলাকায় আধিপত্য ও ভাগাভাগি নিয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত।

দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, আমি সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অপরাধীদের গ্রেফতারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।

সুধারামে চাঁদা না পেয়ে ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের কাজ বন্ধের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ পিএম
সুধারামে চাঁদা না পেয়ে ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের কাজ বন্ধের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

নোয়াখালী সদর উপজেলাতে চাঁদা না পেয়ে মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের কাজ বন্ধের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদি হয়ে সুধারাম মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।

অভিযুক্তরা হলেন নোয়াখালী সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড উত্তর শুল্লোকিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন, একই গ্রামের বাসিন্দা আলি আহম্মেদের পুত্র নুরুল আমিন প্রকাশ কালা মিয়া (৫০) কে সহ অজ্ঞাতনা ২/৩ জন রয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত (৩ এপ্রিল শুক্রবার) বেলা ১১টার সময় সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সল্যাডগি গ্রামে মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের মাটি উত্তোলন ও কাজ চলমান অবস্থায় অভিযুক্তরা আরও কিছু অজ্ঞাতনামাদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের স্বত্বাধিকারী মোঃ মোস্তফা কামালের কাছে হাত খরচ বাবদ কিছু অর্থ দাবী করে। ভুক্তভোগী জানান, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিবাদীরা একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। একইদিন বিকেল ৩ ঘটিকার সময় প্রধান অভিযুক্তরা মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের ঘটনাস্থলে গিয়ে মালিককে অকাথ্য ভাষায় গালাগাল সহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের কাজ বন্ধ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে মাটি উত্তোলনের কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও মেশিনের হ্যান্ডেল সামগ্রী নিয়ে যায়।

মিতি ডেইরি ফার্ম এন্ড ফিশারীজের স্বত্বাধিকারী ভুক্তভোগী মোঃ মোস্তফা কামাল বাদি হয়ে ৫নং ওয়ার্ড উত্তর শুল্লোকিয়ার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের পুত্র দেলোয়ার হোসেন ও একই গ্রামের বাসিন্দা আলি আহম্মেদের পুত্র নুরুল আমিন প্রকাশ কালা মিয়া (৫০) কে সহ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় একটি লিখিত আকারে অভিযোগ প্রদান করেন।

বঙ্গোপসাগরে প্রজনন রক্ষায় ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৮ পিএম
বঙ্গোপসাগরে প্রজনন রক্ষায় ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ

বঙ্গোপসাগরে ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বুধবার মধ্যরাত (১৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে ৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা। সরকারের এই আদেশ অনুযায়ী আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

‎মৎস্য বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই উদ্যোগের ফলে সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি ইলিশ আহরণেও নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হবে।

‎মেরিন ফিশারিজ অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে আসছিল সরকার। শুরুতে এই আদেশ কেবল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিশিং ট্রলারের জন্য প্রযোজ্য হলেও, ২০১৯ সাল থেকে উপকূলীয় সকল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকাকেও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।

‎তবে দীর্ঘ ৬৫ দিনের এই অবরোধ নিয়ে বাংলাদেশি জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকার সুযোগে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা দেশীয় জলসীমায় প্রবেশ করে অবাধে মাছ শিকার করত।

‎জেলেদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত বছর থেকে এই অবরোধের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধের সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অবরোধ সাত দিন কমিয়ে ৫৮ দিন ধার্য করা হয়। গত বছর ১১ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নতুন সময়সীমা কার্যকর করা হয়, যা চলতি বছরেও বহাল রাখা হয়েছে। ভারতের সাথে মিল রেখে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় উপকূলীয় জেলেরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

‎উল্লেখ্য, দেশীয় জলসীমায় বিদেশি জেলেদের অনুপ্রবেশ নিয়ে ২০১৯ সালে গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে জেলেদের এই দাবি গুরুত্ব না পেলেও গত বছর থেকে কার্যকর হওয়া এই সমন্বয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ সফল করতে উপকূলীয় এলাকায় প্রশাসনিক নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:- মোঃ নুরুল আলম) প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

 

আজ ১৪-ই এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি রোজ মঙ্গলবার। লামা ৩০- আনসার ব্যাটালিয়ান হেড কোয়ার্টারের মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। এতে ৪-টি দল অংশগ্রহণ করেন, বিভিন্ন জেলা হতে আগত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, লামা। আজ সকাল ৯:০০ টার দুটি দল অংশগ্রহণ করেন, চট্টগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ান বনাম বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ান, দুই দলের ফলাফল ড্র। আজ বিকেল ৪:৩০ মিনিটে ৩০- আনসার ব্যাট্যালিয়ান বনাম ১- আনসার ব্যাটালিয়ান মধ্যে খেলা হয়। এতে প্রত্যেক টিমের সিনিয়র অফিসার জেসিও উপস্থিত ছিলেন। আজ খেলায় ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান ৫-০ গোলে ১-ওয়ান আনসার ব্যাটলিয়ান কে হারিয়ে জয় লাভ করেন।

error: Content is protected !!