প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল সংকটে রোদে পুড়ছে চালকবিহীন মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মল্লিকপুর বাজারে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে চালকবিহীন দীর্ঘ মোটরসাইকেলের লাইন। পড়ছে তীব্র গরম আর রোদ। বাইকাররা রাস্তায় গাড়ি রেখে কেউ দোকানে, কেউ গাছের ছায়ায় বসে সময় কাটাচ্ছেন। কখন তেল পাবেন তাও জানেন না তারা। সীমাহীন কষ্ট ভোগ করছে তারা। প্রশাসনিকভাবে কোন তদারকি না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে সীমাহীন। অনেকে সকাল ৬টার সময় এসে অপেক্ষা করছেন ৪০০ টাকা তেলের জন্য। কবে কাটবে সংকট, কবে আসবে সুখবর। তা জানা নেই কারোর।

স্থানীয়রা জানান, মোটরসাইকেলের এতো বড় লাইন মল্লিকপুরে দেখা যায়নি। যেমন গরম তেমন রোদও পড়ছে। রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল রেখে চালকরা বিভিন্ন দোকান, ছাউনি বা গাছের নীচে বসে আছে। কখন তেল পাবেন তাও জানেন না তারা। পাম্পে ৪০০ টাকার তেল দিচ্ছে।তবে প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় মাঝে মাঝে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে চালকদের মধ্যে। দেখা হচ্ছে না ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও গাড়ির কাগজপত্র।

তেল নিতে আসা মটরসাইকেল চালকরা বলেন, এতো ভোগান্তি কখনো দেখিনি। সঠিক তদারকি না থাকার কারণে মাঝে মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। মোটরসাইকেলের যত বড় লাইন এত বড় লাইন আমরা কখনো দেখিনি। তবে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনে কাগজপত্র যদি দেখে তেল দেয়া হতো তাহলে পরিবেশ ভালো থাকতো। কিন্তু আদৌ কোন কিছু দেখা হচ্ছে না বা প্রশাসনিক ভাবেও কোন তদারকি নেই।

তেল নিতে আসা হাফিজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ লাইন হবে বলে রাত চারটার সময় চলে এসেছি। তারপরও দেখি আমার আগে অনেকেই চলে এসেছে। ৬ থেকে ৭ ঘন্টা অপেক্ষার পর ২০০ টাকা তেল পেয়েছি। রোদ গরমে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। তাই কষ্টকে আলিঙ্গন করে তেলের জন্য অপেক্ষা করছে মোটরসাইকেল চালকরা।

পাম্পে তেল নিতে আসা ফারুক হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে রোদ গরমের মধ্যে।অথচ স্বজন প্রীতি থাকায় অনেকে লাইন বাদেই তেল নিয়ে চলে যাচ্ছে। যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে তেল দিত তাহলে এগুলো হতো না। কারণ ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাদের আছে তাদেরই তেল দেয়ার অনুমতি দিত।প্রশাসনিকভাবে কোন তদারকি না থাকার কারণে নিয়ম-নীতি মানছে না কেউ

তবে সকাল বেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত না থাকলেও দুপুর বেলা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট এসে তেল দেওয়া শুরু করেন, এবং কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে তেল দেন যাদের বৈধ কাগজপত্র নাই তাদের তেল নেওয়া শেষে মামলা দেন ম্যাজিস্ট্রেট।

তেল পাম্পে প্রচোন্ড ভিড় থাকার কারণে পাম্প মালিকের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন