প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক ভাতা ও বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত দেশের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়েরা। তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘোচানোর স্বস্তি এবং আগামীর নতুন স্বপ্নের কথা।

প্রথম ধাপে ১২৯ ক্রীড়াবিদ পেয়েছেন ১ লাখ টাকা করে মাসিক ভাতা। এত দিন ক্রিকেট-ফুটবলের বাইরে অন্য অ্যাথলেটদের জন্য জীবনধারণ ছিল কঠিন। সেই অনিশ্চয়তা দূর হওয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন জানান, এখন চোখ বন্ধ করে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নেওয়া যাবে। সাফজয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা এখন চোখ বন্ধ করে খেলাকে পেশা হিসেবে নিতে পারবে এবং সেই মুহূর্তটা আমার মনে হয় চলে এসেছে। এই ভাতা কার্ড যেটা সরকার থেকে আমাদের দিয়েছে, সেটার কারণে খেলোয়াড়দের খেলার চাহিদাটা অনেক বেড়ে যাবে এবং কমপিটিশন লেভেলটা আমার মনে হয় আরও বাড়বে।’

ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে রুপাজয়ী টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জাবেদ ক্রীড়াঙ্গনের অবস্থা পাল্টে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচিকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক দিনের চাওয়া ছিল ক্রীড়াটা পেশা হিসেবে আমরা নিতে চাই। তো আমার বিশ্বাস তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যে সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন, এটা ক্রীড়াঙ্গনের পুরো চেহারাটাই পরিবর্তন করে দেবে এটা আমার বিশ্বাস।’

দীর্ঘদিন ধরে অলিম্পিক বা কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল অনেকটা নামমাত্র। তবে এখন নিয়মিত বড় অঙ্কের মাসিক বেতন পাওয়ার নিশ্চয়তা স্বপ্ন দেখাচ্ছে বড় আসরের। টেবিল টেনিস তারকা খই খই সাই মারমা বলেন, ‘আসলে কখনো ভাবতেই পারি নাই যে মাসে বেতন পাব। এটা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য খুশির ব্যাপার। যেহেতু এ রকম একটা সাপোর্ট পাচ্ছি দেশ থেকে এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী যে আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে, তো আমরা চেষ্টা করব অলিম্পিক পর্যায়ে খেলার এবং আরও ভালো করার।’

সদ্য এশিয়া কাপ আর্চারিতে সোনা জিতে আশা হিমু বাছাড় মনে করেন, এই উদ্যোগ পাইপলাইনের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তিনি বলেন, ‘যেখানে ভবিষ্যৎ নেই, সেখানে তো কেউই যেতে চায় না। সবাই একটা নির্দিষ্ট ভালো একটা ভবিষ্যতের দিকে এগোতে চায়। …আমাদের যে পিছের পাইপলাইনের যে আর্চাররা আছে বা খেলোয়াড়েরা আছে, তারা আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হবে এবং সামনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করবে।’

আর্থিক সংকটের কারণে অনেক সময় অ্যাথলেটরা খ্যাপ খেলার দিকে ঝুঁকে পড়েন। ব্যাডমিন্টন তারকা আল আমিন জুমার সেই বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সিজনের দিকে আর তাকাতে হবে না। কারণ এত বড় একটা সম্মাননা দিয়েছে আজকে… আমাদের ইন্টারন্যাশনালে অনেক ভালো রেজাল্ট আছে। তো ইনশা আল্লাহ আমাদের জুনিয়র প্লেয়ার যারা আছে তারাও আরও আগ্রহী হবে এখন ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য।’

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন