প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২

কালীগঞ্জে নারীসংক্রান্ত ঘটনায় গণধোলাইয়ের কান্ড নিয়ে চন্দ্রপুর প্যানেল চেয়ারম্যান,ছেলে ও যুবদল নেতার পাল্টাপাল্টি সোশাল মিডিয়ায় অভিযোগ

নুরুজ্জামান আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার

কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর বাজারে নারীসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হলো ওই ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহীনুর ইসলাম শাহীন ওরফে ফিড শাহীন। আবার ফিড শাহীন বলছেন, ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও স্থানীয় বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন মেম্বার ও তার ছেলে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র বলেছে, বালাপারা নিবাসী জনৈক মর্জিনা ও নওদাবাস নিবাসী কমরউদ্দিন আনুমানিক ৬ মাস পূর্বে রাত ৩ টার সময় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সময় জনতার হাতে ধরা পরে,ঐ সময় স্থানীয় লোকদের বিচার শালীশের মাধ্যমে ৫০০০০ টাকা মুচলেকা দিয়ে রেহাই পান কমর উদ্দিন,উল্লেখ্য কমরউদ্দিন এর আগে আরো দুইজন স্ত্রী আছে বলে জানা যায় এবং মর্জিনার স্বামী সন্তান রয়েছে,এরপর চন্দ্রপুর বাজারের পাশে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতেছিলো,কিন্তুু মর্জিনাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়ায় তিনি সাবেক মেম্বার হাফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রপুর হাটের ইজারাদার, চন্দ্রপুর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহীনকে ডেকে আনেন,এর মধ্যে ছেলেকে ঘরের মধ্যে বন্দী অবস্থায় রাখেন,সেখানে শাহীন ৪ জন পুলিশ সদস্য নিয়ে গিয়েছিলো,ইতিমধ্যে সেখানে হাজির হোন কমরউদ্দিন এর সম্পর্কে চাচাতো ভাই চন্দ্রপুর ইউনিয়ন এর প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন, উনি আসাতে ছেলেটিকে ঘর থেকে বের করা হয়,এবং ছেলেটি পালিয়ে যায়,এতে ফীড শাহীন উত্তেজিত হয়ে পরে প্যানেল চেয়ারম্যান এর উপর,তৎক্ষনাৎ নিজাম উদ্দিন এর ছেলে লাদেন ফিড শাহীনকে চর মারে এবং আরো জনগন গনপিটুনি দেয়,সবাই বলাবলি করে তুমি কি দালাল? অপর এক সূত্রে জানা যায়, মাদক কারবারিদের সাথে মাসোহারা নিয়ে বাকবিতন্ডার জেরে শাহীনকে লাঞ্ছিত করতে পারে চক্রটি। ঘটনাটি আজ বিকেল ৩টার দিকে ঘটেছে। এ বিষয়ে শাহীনুর ইসলাম শাহীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন, চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বোতলা গ্রামের কমর উদ্দিনের বাড়িতে একটি নারীসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন মেম্বরকে জনতা হেনস্তা করে। ঘটনার সাথে তিনি আদৌ জড়িত নন। তিনি আরও বলেন, চন্দ্রপুরহাট ইজারা নেওয়াকে ঘিরে তার একটি প্রতিপক্ষ তৈরি হয়েছে, তারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে উঠেপড়ে লেগেছে। এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফিড শাহীনের গণধোলাইয়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাকে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে শাহীনের অভিযোগ সত্য নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে শাহীনকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি। এ প্রসঙ্গে কালীগঞ্জ থানার ওসি বলেছেন,ঘটনা সমাধানের জন্য পুলিশ ছিলো,পরে কি ঘটেছে তার অভিযোগ থানায় হয়নি এখোনো।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, উপদেষ্টাঃ সাঈদা সুলতানা, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার


প্রিন্ট করুন