প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

গুডবাই বলে দিলেন সরফরাজ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন পাকিস্তানের ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। আজ এক বিবৃতিতে প্রায় দুই দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানার বিষয়টি সদ্য সাবেক ক্রিকেটার নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
২০০৭ সালের নভেম্বরে জয়পুরে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করেন সরফরাজ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাকিস্তানের হয়ে ৫৪টি টেস্ট, ১১৭টি ওয়ানডে ও ৬১টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তিন সংস্করণে মিলিয়ে ব্যাট হাতে করেছেন ৬১৬৪ রান। ছয়টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৩৫টি ফিফটি আছে তাঁর নামের পাশে। উইকেটের পেছনেও ছিলেন সমান নির্ভরযোগ্য; ক্যারিয়ারে ৩১৫টি ক্যাচ ৫৬টি স্টাম্পিং করেছেন সরফরাজ।
১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সরফরাজ; ৫০টি ওয়ানডে, ৩৭টি টি-টোয়েন্টি ও ১৩টি টেস্ট। তাঁর নেতৃত্বে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর দলে পরিণত হয়। টানা ১১টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
সরফরাজের অধিনায়কত্বের সেরা স্মৃতি ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়। সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ১৮০ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে পাকিস্তান, যা ছিল আট বছর পর দলটির কোনো আইসিসির শিরোপা জয়। এর আগে ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে শিরোপা জেতান তিনি। পাকিস্তানের ইতিহাসে জুনিয়র ও সিনিয়র—দুই পর্যায়েই আইসিসি শিরোপা জেতানো একমাত্র অধিনায়ক সরফরাজ। পাকিস্তানের জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পার্থ টেস্ট।
অবসরের ঘোষণায় সরফরাজ বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বিশ্ব শিরোপা জেতানো থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতা—পাকিস্তানের জার্সিতে প্রতিটি মুহূর্তই আমার জন্য বিশেষ ছিল। আমার স্বপ্ন ছিল সব সংস্করণে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া। আমি সব সময় নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে এবং ঐক্যবদ্ধ একটি দল গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি। আমার অধিনায়কত্বে বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলীসহ অনেক ক্রিকেটার ম্যাচজয়ী হয়ে উঠেছে। এটা দেখা আমার জন্য গর্বের।’
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) ধন্যবাদ জানিয়ে সরফরাজ বলেন, ‘পিসিবি বছরের পর বছর আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। পাকিস্তান ক্রিকেট সব সময়ই আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি এবং আমি ভবিষ্যতেও যেকোনোভাবে এই খেলাকে সমর্থন করে যাব।’

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন