লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহর বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আসামি ও আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গোপন বৈঠক করার অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা বলে স্বীকার করেন লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমার সেন।
একটি সূত্র জানায়, ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বৃহস্পতিবার ঐ এলাকায় রাতে টহল ডিউটিতে ছিল।এই সময় আওয়ামীলীগ নেতা তাজুর বাড়ীর সামনে ওসি গাড়ি থামিয়ে কয়েকজনের সাথে কথা বলে এলাকা ত্যাগ করেন।এ সময় কয়েকজন তাজুর বাড়ীর সামনে গাড়ি থামানো দেখে সন্দেহ করেন তিনি দাওয়াত খেতে এসেছে। হাতীবান্ধার বাসিন্দা তাজুর বাড়ী কিন্তু জেলার বাইরে কর্মরত প্রশাসনের আরও একাধিক কর্মকর্তাও এখানে এসেছিল।
লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমার সেন জানান, ওই বাড়িতে পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ সেখানে গিয়েছিলেন।তবে ওসি দাওয়াত খাননি বলে তিনি স্বীকার করেন।
হাতীবান্ধার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন,আমি সিন্ধুরনা এলাকায় রাতে মোবাইল টিম সহ অভিযানে ছিলাম। তখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে রাস্তায় দেখা হওয়ায় দাঁড়িয়ে সৌজন্যমূলক মূলক কথা বলে উক্ত স্থান ত্যাগ করি। ঐদিন দুপুরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথেও ইউএন স্যারের সাথে হাতীবান্ধা অডিটোরিয়ামে একসাথে কম্বল বিতরণএর কাজে অংশগ্রহণ করি।
উল্লেখ্য যে,এর আগে কয়েকটি মিডিয়ায় ওসির আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ীতে দাওয়াত খাওয়া বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি 