প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

মাগুরা পুকুরে ধরা পড়ল ৮ কেজি ওজনের বিশাল কাকলে মাছ

মোঃ জুয়েল রানা ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

মাগুরার শ্রীপুরে পুকুরে একটি বিরল আকৃতির কাকলে মাছ ধরা পড়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর)উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের বড়বিলা বিলসংলগ্ন একটি পুকুরে জাল ফেলতে গিয়ে স্থানীয় এক জেলের জালে আটকা পড়ে মাছটি। দৈর্ঘ্যে প্রায় আড়াই ফুট ও ওজনে প্রায় ৮ কেজির এই মাছটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত এই প্রজাতির কাকলে মাছ এত বড় আকারের হয় না। এ কারণে মাছটি পুকুর থেকে তোলার পর থেকেই গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে মাছটি স্থানীয় বাজারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। বাজারের আড়তে শুধু স্থানীয়রাই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে ছুটে আসেন বিরল আকৃতির এই মাছটি এক নজর দেখতে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিয়া তৌহিদ মাছটি দেখার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মাছের ছবি আপলোড করে লেখেন— মাগুরা জেলা শ্রীপুর উপজেলা 

শ্রীকোল ইউনিয়ন বড়বিলার মাঠের পুকুরে ৮ কেজি ওজনের বিরল আকৃতি কাকলে মাছ ধরা পড়ছে। মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর পোস্টটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কমেন্ট, শেয়ার ও রিঅ্যাকশনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অনেকেই পোস্টটির নিচে বিস্ময় প্রকাশ করে মন্তব্য করেন এবং ছবিসহ ঘটনাটি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে শেয়ার করতে শুরু করেন।

এতে করে মাছটি দেখার আগ্রহ আরও বাড়তে থাকে। দুপুরের পর থেকে অনেকেই বাজারে ভিড় করেন শুধু মাছটিকে এক নজর দেখার জন্য। 

স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল জলিল বিশ্বাস জানান, আমার বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি। ছোটবেলা থেকেই মাছ ধরি। 

কিন্তু এত বড় কাকলে মাছ কখনো দেখিনি। এটা আমাদের এলাকায় বিরল ঘটনা।

স্থানীয়  কৃষক আলম  হোসেন জানান, কাজ বাদ দিয়ে মাছ দেখে এসেছি। এমন মাছ তো দেখা যায় না রোজ রোজ। মনে হলো সরাসরি না দেখলে মিস করব।তাই বাজার থেকে  কাকলে মাছটি দেখে এসেছি।

এবিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেড এম তৌহিদুর রহমান বলেন, এতো বড় আকৃতির কাকলে মাছ সাধারণত দেখা যায় না। এই মাছ চাষাবাদ পদ্ধতিতে  উৎপাদন করা হয় না; মূলত প্রাকৃতিক জলাশয় থেকেই এদের পাওয়া যায়। শ্রীপুরের বড়বিলা এলাকায় এমন একটি মাছ ধরা পড়া নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর একটি বিষয় তবে এটি প্রমাণ করে যে, স্থানীয় জলাশয়ের পরিবেশ এখনও জীববৈচিত্র্যের জন্য উপযোগী রয়েছে। 

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন