প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

বগুড়ার শেরপুরে ব্যবসায়ীর নিকট ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সাংবাদিক পরিচয়ে

স্টাফ রিপোর্টার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ব্যবসায়ী রুবেল মাহমুদের নিকট ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকি-ধামকি দেওয়ার অভিযোগে একাধিক পত্রিকার কার্ডধারী সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া রুবি আক্তার ওরফে উর্মি আক্তারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলাটি ১৯৫সি/২০২৫ (শেরপুর) নম্বরে গত ২৫ মার্চ শেরপুর আমলী আদালতে দায়ের করেন বাদী রুবেল মাহমুদ। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বগুড়া ডিবি কার্যালয়কে।

বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, দরিমুকুন্দ গ্রামের সাংবাদিক পরিচয়ধারী রুবি আক্তার উর্মি, বিপ্লব শেখ, উর্মিলা বেগম, মো. সোহান, খলিলুর রহমান ও ওমর আলী শেখ দীর্ঘদিন ধরে তার নিকট ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি, ভয়ভীতি ও জীবননাশের আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের হুমকি এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়।

স্থানীয় সাক্ষী মো. আমিনুর ইসলাম জানান, বিবাদীরা পরস্পর সহযোগিতায় নিয়মিত বাদীর কাছ থেকে চাঁদা দাবি করতেন। একপর্যায়ে বিপ্লব শেখ প্রকাশ্যে বাদীকে হত্যা করার হুমকি দেন এবং মারধর করতে উদ্যত হলে বাদীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা দ্রুত সরে পড়েন।

বাদী জানান, থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে আদালতে মামলা করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ বিবাদীরা স্থানীয়ভাবে সশস্ত্র অবস্থায় দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করে।

জানতে চাইলে জাতীয় দৈনিক একুশের বাণী পত্রিকার কর্তৃপক্ষ জনাব মো: বাবলু সাহেব বলেন, রুবি আক্তার ওরফে উর্মি, পিতা: মো: ওমর আলী, গ্রাম: দড়িমুকুন্দ ডাকঘর: শেরপুর-৫৮৪০ জেলা: বগুড়া। সে শেরপুর উপজেলায় তাদের জাতীয় দৈনিক একুশের বাণী পত্রিকার কোনো প্রতিনিধি নন। কেউ যদি ভুয়া কার্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করে, তাকে প্রশাসনের কাছে ধরিয়ে দিতে হবে।

অন্যদিকে সাংবাদিক উর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি একাধিক পত্রিকায় কাজ করেন এবং তার নামে মামলা হলে আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন। একই সাথে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে বেশি কথা বললে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধেও মামলা করতে পারেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, উর্মি আক্তারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন