খন্দকার আউয়াল টাঙ্গাইল জেলা প্রতিদিন
ভ্রান্ত পথিক
সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মোস্তফা
জীবনের পথে অনন্ত কাল
দম দেয়া ঘড়ির কাটার মত
নিশিত রজনীর অন্ধকার ভেদ করে
একটি শব্দের উচ্ছাসে ছুটে চলি।
নীহারিকার প্রান্ত ছুয়ে অজানা নক্ষত্রের পানে
দৃষ্টি ফিরিয়ে কে তুমি!ভ্রান্ত পথিক
সম্মুখে তোমার কাংখিত ঠিকানা
অথচ তুমি চলছেো নিরুদ্দেশ।
ক্রমাগত জিঘাংসায় কাল পুরুষ আমি
হনন করি মানবতা, পদদলিত করি সুন্দর
পন্কে খুজেছি অমৃত সুধা, ভুলেছি
সুচীতার শুভ্র সত্য বলয়।
গহীন অরণ্য পথ শ্বাপদ সংকুল
সিন্ধুর হিন্দোলে জলদ হুংকারে
ছায়াপথ বেয়ে আলোর ঝলকানী
আমি ভুলেছি যৌবনের উন্মাদনায়।
লাভা স্রোতে ধ্বংস নগরীর কান্না
বিরত করেকি উদ্গিরণ? অগ্নি দহনে
অশান্ত প্রান- কামনার কাংখিত জীবন সন্ধানে
মর্তলোকে একি! অতৃপ্ত আত্নার ক্রন্দন।
সপ্ত বর্ণে কোন প্রনয়ের নিদর্শণ
ভ্রান্তির কুহেলি প্রভাতে অরুন আলোকে
বুঝিনি, কোথায় কোন পথে-
চলে যাবো অনন্ত স্বর্গলোকে।
তীলোত্তমা নয় চেয়েছি বর্ণিল সুন্দর
ভ্রান্ত পথে ক্লান্ত পথিক অমৃত লোভে
করেছি পড়ল পান, তীব্রবিষে চেয়ে দেখি
অন্তহীন নীলিমায়! সে তুমি অনন্ত সুন্দর।
ক্রমাগত আবর্তন অসত্য অসুন্দর
নয়নে স্বপ্ন জাগায়,ছুটে আসা ধুমকেতু
হঠাৎ বিলীয়মান, আমি জ্বলে উঠি
কেউকি দেখেছে নক্ষত্র পতন?
ভ্রান্ত পথিক, দিগন্তে তোমার নিরুদ্দেশের পথ
উর্মি মালা করেছে তোমারে গ্রাস!
অবনত শির, জীবনের উত্থানে ভুলেছ সংগ্রাম
জেগে উঠ জীবনের অনন্ত পরিক্রমায়।
সীমাহীন অন্ধকার মহাশুন্যতায়
অসত্যের ঘূর্ণাবর্তে পথভোলা, নক্ষত্রহীন
মহাকাশ – আমার জীবনে আনেনি
তোমারী আলোতে আলোকিত সোনালী ভোর।
ধ্রুবতারা নেই সীমাহীন অন্ধকার আকাশ
কোথায় সেই আলোকিত পথ? ক্লান্ত পথিক
অবশ পদযুগল, স্থবির শক্তিহীন, থেমে যাবেকি
পাবেনা অনন্ত জীবনের সন্ধান?