প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২

রঙ-তুলিতে সেজেছে তাড়াশ উপজেলা চত্বর

মোঃ মনিরুল ইসলাম তাড়াশ

পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিতে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা চত্বরে চলছে রংতুলির আঁচড়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর শোভাযাত্রা ও নানা আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা। ইতোমধ্যে মুখোশসহ বিভিন্ন উপকরণ ও শোভাযাত্রার মোটিফ তৈরির কাজ প্রায় ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। নতুন বছরের প্রস্তুতিতে উপজেলায় আঁকিয়েরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের তুলি ও রঙে ফুটে উঠছে মঙ্গল শোভাযাত্রার অনুষঙ্গগুলো। এসব অনুষঙ্গ তৈরিতে কাজ করছেন স্থানীয় শিল্পীরা।
এদিকে, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোতেও চলছে প্রস্তুতির শেষ পর্ব। লোকজন সংস্কৃতির শক্তিতে ও প্রতিবাদী চেতনায় নতুন স্বপ্ন দেখছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। আয়োজকরা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার আরও বর্ণাঢ্যভাবে পালিত হবে শুভ নববর্ষ উৎসব।
ঈদের আনন্দ শেষ না হতেই আসছে বাঙালির অন্যতম সার্বজনীন উৎসব-বাংলা শুভ নববর্ষ। এ আনন্দঘন মুহূর্তের জন্য অনেক আগ থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। সব ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ উৎসবে সমান আগ্রহে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের শোভাযাত্রায় থাকবে মাখল, কাস্তে, মাছ ধরার জাল, পলই, খলই, রঙিন কুলা, হাতপাখা, কলস, ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিল্পীদের অংশগ্রহণ।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মেলায় থাকছে হস্ত ও কুটির শিল্প, চারু ও কারুশিল্প, পিঠা ও ফুড কর্নারসহ ২০টি স্টল। পাশাপাশি থাকছে বাংলা নববর্ষভিত্তিক নাটিকা, গম্ভীরা ও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ্এনও) নুসরাত জাহান বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও তাড়াশ উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা শুভ নববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সুন্দর একটি পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অপেক্ষায় আমরা।’

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন