প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২

স্কুলের সীমানায় প্রাচীর না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনিরাপদ

মোঃ নুরুজ্জামান

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সুন্দাউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রায় আট দশকের পুরোনো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠে বর্তমানে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চললেও নানামুখী অবকাঠামোগত সংকটে জর্জরিত এই বিদ্যালয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল স্কুলটির সীমানা প্রাচীর নেই, যা প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে শিক্ষার্থীদের।
সরকারি সড়কের ঠিক পাশেই অবস্থিত বিদ্যালয়টির চারপাশে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। ফলে বিদ্যালয়টির মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সময় দ্রুতগামী যানবাহনের সঙ্গে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় থাকেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। বিশেষ করে টিফিন বা খেলাধুলার সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সহজেই সড়কের দিকে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
এছাড়া, সীমানা প্রাচীর না থাকায় প্রায়ই গরু-বাছুর মাঠে ঢুকে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সচেতন মহলের ধারণা, দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ না হলে ভবিষ্যতে জমির সীমানা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বিরোধ ও সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হোসেন বলেন মাঠের চারপাশে আমরা কয়েকবার গাছ লাগানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু গরু-বাছুর এসে সেগুলো নষ্ট করে দিয়েছে। গাছ থাকলে শিক্ষার্থীরা ছায়ায় খেলাধুলা করতে পারত। বিগত সরকারের সময় ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত অনেক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়টি রয়ে গেছে অবহেলিত অবস্থায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজল রায় বলেন আমাদের শ্রেণী কক্ষের জন্য নতুন একটি ভবন হলে ভাল হয় তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমানা প্রাচীর। এটি না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এবং শিশুদের সুরক্ষার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টিটু কুমার দে বলেন বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন