ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি তো আছেই, আছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকোয় গ্যাং সহিংসতা। এরই মধ্যে আবার ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা এবং ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত। ইরান তো জানিয়ে দিয়েছে নিরাপত্তা শঙ্কায় তারা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ নাও খেলতে পারে।
এই অবস্থায় খুব স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রশ্নটা উঠছেই। তবে এ নিয়ে চিন্তিত নন ফিফার সহসভাপতি ভিক্টর মন্টালিয়ানি। টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে গেলে সব উদ্বেগ কেটে যাবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির কারণে বিভিন্ন দেশের সমর্থকেরা বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন। কিন্তু ফিফার সহসভাপতি বলছেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এমন পরিস্থিতি নতুন কিছু নয়।’ উল্টো মন্টাগলিয়ানি মনে করিয়ে দিয়েছেন, অতীতে প্রতিটি বিশ্বকাপের আগেই ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ছিল। ১৯৭৮ বিশ্বকাপের উদাহরণ টেনে বলেন, তখনো সামরিক শাসনের মধ্যে টুর্নামেন্ট হয়েছিল। বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমের কারণে এসব ইস্যু বেশি বড় করে দেখা হচ্ছে বলে মনে করেন মন্টাগলিয়ানি, ‘বিশ্বকাপের দিন শুরু হলে সবার মনোযোগ আবার ফুটবলে ফিরে যাবে।’
এদিকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা চলছে। তবুও আয়োজক দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ফিফার প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন মন্টাগলিয়ানি। তাঁর মতে, ‘বল গড়ানো শুরু হলে সবকিছু ছাপিয়ে ফুটবলই হয়ে উঠবে মূল আকর্ষণ।’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক