প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

ইরানি গোয়েন্দামন্ত্রীকে লক্ষ্য করে হামলার দাবি ইসরায়েলের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলায় তিনি মারা গেছেন কি না—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল–১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিবকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানের ফলাফল কী হয়েছে তা বর্তমানে মূল্যায়ন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।

এদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ও বাসিজ আধা সামরিক বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় মধ্য ইসরায়েলে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল আবিব এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর বেনি ব্রাক ও রামাত গান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে রামাত গানে সত্তরোর্ধ্ব এক দম্পতি নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি তাঁদের বসার ঘরে আঘাত হানে। নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই এই ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া শ্যারন এলাকা এবং বেনি ব্রাকে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হামলায় তেল আবিবের একটি প্রধান রেলস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে ইসরায়েলজুড়ে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গত এক ঘণ্টায় মধ্য ইসরায়েলে পুনরায় সাইরেন বেজে উঠলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এবং হিজবুল্লাহর সমন্বিত হামলা ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে। উত্তর দিক থেকে হিজবুল্লাহ প্রতিদিন ১০০ টির মতো রকেট ছুড়ছে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। অধিকাংশ প্রজেক্টাইল আকাশে ধ্বংস করা সম্ভব হলেও কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।

উদ্বেগজনক তথ্য হলো, কিছু ক্ষেত্রে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোই মাটিতে পড়ে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রামাত গানে প্রাণহানির পেছনে সরাসরি রকেট নাকি ইন্টারসেপ্টরের ধ্বংসাবশেষ দায়ী, তা নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে। কয়েক দিন আগেও একটি ইন্টারসেপ্টরের কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের এই হামলা পূর্ববর্তী হত্যাকাণ্ডগুলোর সুনির্দিষ্ট প্রতিশোধ। এই উত্তেজনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, উপদেষ্টাঃ সাঈদা সুলতানা, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন