প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

তাড়াশ পৌরসভার একচ্ছত্র রাজত্ব করছেন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মুকুল হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

তাড়াশ পৌরসভার একচ্ছত্র রাজত্ব করছেন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মুকুল হোসেন। অনুসন্ধানে একের পর এক দুর্নীতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে।

মূলত তিনিই সব করেন। অথচ এখন বলছেন, “আমার কাজ প্রকল্পের তালিকা করে দেওয়া।”
১. তাড়াশ উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ওয়াশ-ব্লক ও অজুখানা নির্মাণ।
২. তাড়াশ উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী সংস্কার।
৩. উপজেলা মৎস্য অফিসের আঙ্গিনায় সৌন্দর্যবর্ধন কাজ।
৪. উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উন্নয়ন কাজ।
৫. তাড়াশ উপজেলা অফিসার্স ক্লাব সংস্কার।
৬. অফিসার্স ক্লাবের সামনে শিশুদের প্লে- গ্রাউন্ড উন্নয়ন।
৭. চতুর্থ শ্রেণি সরকারি সমিতির ঘর মেরামত।
৮. তাড়াশ পৌর এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনায়ন।
৯. তাড়াশ উপজেলা ভূমি অফিসের ল্যান্ড মিউজিয়াম নির্মাণ
১০. উপজেলা পরিষদের মেইন গেটের সামনে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ।
১১. উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের পেছনে রাস্তায় গেট নির্মাণ।
মূলত টিআর (TR – Test Relief) বা গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ এলাকার রাস্তা, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় (মসজিদ, মন্দির) মেরামত ও উন্নয়ন এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অথচ, ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশিরভাগ সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ নিজেদের সুবিধার্থে ব্যয় করেছেন, ব্যয় দেখিয়েছেন। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবে কোন অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন