বিশেষ সাক্ষাৎকার
কুদ্দুস জ্বীন বনাম Kim Jong-un
বিষয়: গণতন্ত্র না নায়কতন্ত্র?
(সব চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে মিল কাকতালীয় 😄)
কুদ্দুস জ্বীন: স্যার, সরাসরি প্রশ্ন করি—আপনার দেশে গণতন্ত্র আছে?
কিম: অবশ্যই আছে!
আমাদের দেশে ভোট হয়…
আর আমি জিতে যাই।
প্রতিবার।
এটাই ধারাবাহিকতা। 😌
কুদ্দুস জ্বীন: কিন্তু বিরোধী দল?
কিম: আছে তো!
তারা আমার সাথেই একমত।
আমাদের দেশে ঐক্য এত শক্তিশালী
যে ভিন্নমত নিজে থেকেই বিশ্রামে চলে যায়।
কুদ্দুস জ্বীন: অনেকে বলে গণতন্ত্র মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
কিম: ভুল ব্যাখ্যা।
গণতন্ত্র মানে স্থিতিশীলতা।
অনেক কণ্ঠ হলে শব্দ হয়।
এক কণ্ঠ হলে নির্দেশ হয়।
দেশের জন্য দরকার এক নায়ক।
কুদ্দুস জ্বীন: তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ কেন? ফেসবুক, ইউটিউব?
কিম: (হেসে)
ওগুলো থাকলে মানুষ প্রশ্ন করে।
প্রশ্ন করলে সন্দেহ হয়।
সন্দেহ হলে বিতর্ক হয়।
বিতর্ক হলে বিশৃঙ্খলা।
আমরা জনগণকে বিশৃঙ্খলা থেকে বাঁচাই। 😄
কুদ্দুস জ্বীন: শুনেছি আপনার দেশে সবাই সুখে আছে।
কিম: অবশ্যই।
এখানে অসুখ নেই—কারণ অভিযোগ নেই।
অভিযোগ নেই—কারণ তুলনা নেই।
তুলনা নেই—কারণ ইন্টারনেট নেই।
আমাদের দেশ স্বর্গ।
এখানে মোবাইলের অত্যাচার নেই,
ফেসবুক নেই, ইউটিউব নেই—
আছি শুধু আমি।
আমি বলি—মানুষ খায়, দায়, সুখে থাকে।
অতিরিক্ত মতামত নেই, অতিরিক্ত মাথাব্যথা নেই।
কুদ্দুস: আর পারমাণবিক অস্ত্র?
কিম: ওটা আমাদের “শান্তির গ্যারান্টি।”
আমাদের সবাই ডরায়।
আমাকে কেউ ক্ষেপায় না।
ডর থাকলে শান্তি থাকে। 😌
কুদ্দুস (ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে):
গণতন্ত্রে সবাই কথা বলে।
নায়কতন্ত্রে একজন বলে।
প্রশ্ন হলো—
দেশের জন্য দরকার কণ্ঠস্বর,
নাকি কমান্ড?
মন্তব্যে জানান…
যদি জানানোর সুযোগ থাকে! 😂
🔥 পাঞ্চলাইন:
“স্বাধীনতা ভালো জিনিস—
তবে নিয়ন্ত্রণে থাকলে!” 😄

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক 