ইদানীং দেখতে পাচ্ছি চীন থেকে নিয়মিত পুরুষেরা আসছে বাংলাদেশে মেয়ে বিয়ে করতে। অনলাইনে পরিচয় এবং তারপরে এদেশে এসে বাঙালি মেয়েদের বিয়ে করছে। এমন নিউজ বেশ কয়েকটি দেখলাম গত এক বছরে। এর কারণ কি?
এর প্রধান কারণ হচ্ছে চীনে অনেক বছর ধরে এক সন্তান নীতি ছিল। মানে পরিবার বাধ্য ছিল একটি সন্তান নিতে। নারী শিশু হলে মেরে ফেলা হতো গর্ভাবস্থাতেই এবং এর ফলে নারী-পুরুষের সংখ্যার ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। এই মুহূর্তে চীনে বিবাহের বয়স রয়েছে এমন নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা তিন কোটি বেশি। তার মানে তিন কোটি পুরুষ বিয়ের জন্য চীনে মেয়ে খুঁজে পাবে না। এদের মধ্যে অনেকেই চেষ্টা করছে বিদেশি মেয়ে খুঁজে বিয়ে করতে।
তাই চীন থেকে সামনের দিনগুলোতে আরো অনেক বেশি পুরুষ চেষ্টা করবে বাঙালি মেয়েদের বিয়ে করতে। এটি স্বাভাবিক। দুর্ভাগ্যবশত একই রাস্তায় কিছুটা হলেও ভারত হেঁটেছে এবং ভারতেও সামনে এ ধরনের সমস্যা অত বড় আকারে না দিলেও দেখা দিবে।
⚠️ এডিট বা সংযুক্তি
এই পোস্ট দেওয়ার পরে অনেকেই কমেন্ট করে জানিয়েছেন যে, চীনে বাঙালি মেয়েদের বিয়ে করে পরে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে চীনা দূতাবাস বাংলাদেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে।
তাই এই অংশটুকু যুক্ত করলাম এবং আশা করি আমাদের মেয়েরা এবং তাদের গার্ডিয়ানরা এই ব্যাপারটিকে সিরিয়াসভাবে নেবেন।
এখানে আমি কাউকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করছি না বা নিরুৎসাহিতও করছি না। আসলে সবার উচিত বিয়ের আগে খুব ভালো করে খোঁজ খবর নেওয়া।

সম্পাদকীয় 