রাজশাহী জেলা,দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি খাস পুকুর লীজ ইজারায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো নিয়ম নীতি মানা হচ্ছেনা।
সরেজমিনে তদন্তে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি সমিতি, সংগঠন,এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, টাকার বিনিময়ে সমিতি আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন। সমিতির অডিট করতে হবে এই মর্মে আগেই টাকা গ্ৰহন,সাব লিজ গ্ৰহিতার কাছ থেকে। তারপর আবার আরেক চক্র দ্বিতীয় বার লীজ প্রদান করে,বেশি টাকার বিনিময়ে অন্য মানুষের কাছে লীজ দেয়া হচ্ছে। এলাকা ভিত্তিক নেতাদের পুকুর লিজ না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে।এবার একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় দুর্গাপুর উপজেলার পুকুর লিজের জন্য রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মৎস্য জীবি সমবায় সমিতির কাগজপত্র কিনেনিয়ে আবেদন করেছেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ের সমিতি গুলো পুকুর পাওয়া হতে বঞ্চিত হয়েছেন। সমিতির সভাপতি তারা তিন বছর পর পর লিজ নিয়ে সাব লিজ দেয়াটাই তাদের কাজ। নিজেরা কেউ মাছ চাষ করে না। মৎস্য জীবী সমিতির অগ্ৰাধিকার দেয়ার জন্য এমন ঘটনা হচ্ছে,এগুলো বন্ধ করতে জনগণের দাবি। শর্তভঙ্গ করলে লীজ বাতিলের ক্ষমতা প্রশাসনের রয়েছে।গত বছর মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি লিঃ দিয়ে পুকুর চলমান রয়েছে, আবারো তথ্য গোপন করে পুকুর লীজের আবেদন করেছেন, তাদেরকেও পুকুর লীজ দেয়া হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের আইন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শর্ত ভঙ্গকরে চলছে রমরমা পুকুর ব্যবসা। নামে মাত্র মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি মূল কাহিনী পুকুর লিজ ব্যবসা। নিয়ম অনুযায়ী অঙ্গীকার ভঙ্গের দায়ে,ও শর্ত ভঙ্গের দায়ে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় সমিতির নামে পাওয়া পুকুর লীজ বাতিল করতে প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর দাবি। সমিতির সভাপতিগন অফিসে গোপনে যোগাযোগ করে ব্যাংক চালানের টাকা পয়সা জমার কাজ করে নিচ্ছেন। আবেদনকারীগ্ৰাহকদের দিতে হচ্ছে ক্ষতি,যেমন তিনশত টাকার স্ট্যাম্প, পাঁচশত টাকার সিডিউল ক্রয়,সেই টাকা অফেরত যোগ্য। যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। টাকার বিনিময়ে সমিতির অডিট প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি প্রদান। ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে পুকুর লীজ গ্ৰহন। মৎস্য জীবি সমবায় সমিতির অগ্ৰাধিকার থাকায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে সমিতি কিনে ম্যানেজ করে আবেদন। এই সমিতি নামক বিষয়টি বন্ধ করতে হবে। তদন্তপূর্বক লীজ বাতিল সহ,সমিতির নিবন্ধন বাতিল করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি। নানান সমস্যায় জর্জরিত অবস্থায় সকল ধরনের অনিয়মের বিষয়টি সত্য ও সঠিক।পুকুর টেন্ডার, ঘুষ ইত্যাদি দায়ে দোষী ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী সমিতির সভাপতি, সম্পাদক, তাদের মিথ্যা ভুল অসত্য তথ্য দেয়ার অপরাধে সমিতি লীজ বাতিল সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বোচ্চ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি কামনা।
পানানগর ইউনিয়ন মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি লিঃ দুর্গাপুর রাজশাহী। এই সমিতির সভাপতি টাকার বিনিময়ে সমিতি আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন, এবং বিভিন্ন শর্ত ভঙ্গ করে, দেখা শুনা করার জন্য সাব লিজ দেয়ার কথা বার্তা করে রেখেছেন। সমিতি দিয়ে পুকুর লিজ নিয়ে,আবার লিজ দেয়াটাই এদের ব্যবসা। ব্যাপক অনিয়ম হওয়ার কারণে লীজ বাতিল করে,অত্র গ্ৰামের, রঘুনাথপুর আমার বাড়ি আমার খামার সমিতির নামে ইজারা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এই সমিতির সভাপতি। উল্লেখিত পুকুরটি সঠিক ব্যবস্থা না হলে আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা করা হবে। জে এল নং ৮৫, দাগ নং: ১৮৮৭,রকম পুকুর, ৭০শতক। এবং আর একটি পুকুর মামলা চলমান রয়েছে, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দুর্গাপুর, রাজশাহীকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে,তবুও লিজ প্রদান করেছেন। মৌজা রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫,পরিমাণ ১.৯০শতক, দাগ নং ১৬৩৯, প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, উল্লেখিত পুকুরটির নামে একাধিক মামলা থাকায় লিজ বা ইজারা বন্ধ রাখতে প্রশাসনের কাছে, নিজ নিজ গ্ৰামের সমিতির সভাপতি ও গ্ৰামবাসির একমাত্র দাবি।

মোঃ খোরশেদ আলম, ব্যুরো চিফ রাজশাহী, উজ্জ্বল বাংলাদেশ 