প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

এমপি হলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অগ্রাধিকার দেবেন আব্দুর রউফ

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুর রউফ বলেন, আমি যদি সাতক্ষীরা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই, তাহলে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন করবো। আমার নির্বাচনী এলাকায় আর কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না। প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণে সাতক্ষীরার সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের দোহাই দিয়ে বেহেশতের প্রলোভন দেখাচ্ছে। অথচ তারা শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায় না। তারা ক্ষমতালোভী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। মুখে এক কথা, কাজে আরেক। তারা দেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়, যে পাকিস্তানের মূল পেশাই আজ ভিক্ষাবৃত্তি।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে আপনার মূল্যবান ভোট ধানের শীষ প্রতীকে দিন। এই নির্বাচন শুধু একটি ভোটের লড়াই নয়—এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই। ইনশাআল্লাহ, এই লড়াইয়ে জনগণ ধানের শীষকে বিজয়ী করবে।
আব্দুর রউফ আরও বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় মানেই বাংলাদেশর বিজয়। আর আমাদের পরাজয় মানেই স্বাধীনতাবিরোধীদের জয়। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে গভীর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে। কিন্তু ধর্মকে পুঁজি করে যারা ক্ষমতায় যেতে চায়, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখেন— আপনারা কি বাংলাদেশকে হারতে দেবেন?
এ সময় হাজারো মানুষ একযোগে ‘না, না’ স্লোগানে জনসভাস্থল মুখরিত করে তোলে।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আব্দুল আলীম, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসানসহ আরও অনেকে।
জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ধানের শীষ প্রতীক, ব্যানার, ফেস্টুন, প্রার্থীর ছবি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত টি-শার্ট পরে উপস্থিত হন। বিকেল তিনটার আগেই শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক জনসমুদ্রে পরিণত হয় এবং ধানের শীষের স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক তাজকিন আহমেদ চিশতি ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন