নীলফামারী ৩ (জলঢাকা) আসন আর মাত্র বাকি চার দিন কার হাতে যাচ্ছে নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনটি। এদিকে নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনটিতে লড়াই করতেছেন চারজন এমপি প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, দাঁড়িপল্লা মার্কা নিয়ে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি, নাঙ্গল মার্কা নিয়ে রোহান চৌধুরী, হাত পাখা মার্কা নিয়ে রয়েছেন আমজাদ হোসেন। এদের ভেতর চারজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে দুজন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী। দুই দলই চাচ্ছে লড়াইয়ের মাঠে টিকে
থাকতে, এদিকে জলঢাকার পুরনো দল মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী উঠে পড়ে লেগেছে আসনটি তাদের অধিশাসনে নেয়ার জন্য। কিন্তু বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। গত সময়ে বিএনপির কোন প্রার্থী না থাকাই জলঢাকা (আসনটি) বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর শাসনে ছিলো তিন বার ছিলেন দুই বার মরহুম আলহাজ্ব মিজানুর রহমান এমপি, একবার মরহুম জবানউদ্দিন। তারপরে বিভিন্ন জোটের কারণে আসুনটি পায় মহাজোট জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ সহ নানান এমপি প্রার্থী। তাইতো এবার হাড্ডাহাড্ডি সম্ভাবনামায় চার প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই হবে দুই প্রার্থীর মধ্যে এদিকে জামায়াত ইসলামী চাচ্ছেন বা সমর্থক নেতাকর্মীরা বলতেছেন এই আসনে বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা মার্কা জয়লাভ করবেন। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাকর্মীরা, সমর্থকরা চাচ্ছেন যে দীর্ঘদিন বিএনপির কোন প্রার্থী না থাকাই এবারে আমরা পেয়েছি তাই বিএনপি জয়লাভ করবে বিপুল ভোটে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি রয়েছে ব্যক্তিগত ইমেজ। তাইতো সামনে নির্বাচন মাত্র কয়েকদিন বাকি রেখে বিভিন্ন নির্বাচনী গণসংযোগ, নির্বাচনী ইশতেহার, উঠান বৈঠক, পথসভা, সহ নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে সকলেই চলাচলের চেষ্টা করেছেন।
প্রার্থীরা আশা করেন এবারের নির্বাচন হবে অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে এবং প্রার্থীরা সকল ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা ভোট দিবেন যাকে খুশি তাকে দেবেন, তবে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না। এদিকে প্রশাসন রয়েছে শক্ত অবস্থানে এবং অলরেডি কিছুদিন ধরে ভোট সেন্টার গুলো নজর দারি সহ পর্যবেক্ষণ করেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ সহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা।

মোঃ আল আমিন ইসলাম নীলফামারী 