“আয় আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা”—এই কথাটা বলেই শেষ না।খুলনার সেই পুলিশ সদস্য রাশেদ কাজিকে পরে আরও কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেল সাধারণ মানুষের ওপর বেপরোয়া আঘাত করতে।
আরেকটি দৃশ্যে দেখা যায়, রাস্তায় পথচারীদের থামিয়ে তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মেসেজ, গ্যালারি—সবকিছু তল্লাশি করা হচ্ছে।প্রশ্নটা খুব সাধারণ—একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত ফোন এভাবে খুঁটিয়ে দেখার অধিকার তাকে কে দিয়েছে?
কোন আইনে লেখা আছে এই ক্ষমতা?
আমরা কি তাহলে এমন এক রাষ্ট্রে বাস করছি,
যেখানে রাস্তায় বের হলেই নিজের গোপনীয়তা প্রমাণ হিসেবে তুলে দিতে হবে?
রাশেদের চোখেমুখে হাদির প্রতি ব্যক্তিগত ক্ষোভ স্পষ্ট।
কিন্তু ব্যক্তিগত রাগ মেটাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার করা হলে,তা আর আইন থাকে না—নিপীড়নে রূপ নেয়।
আইন রক্ষা করার দায়িত্ব যাদের,
তারাই যদি আইন ভাঙে,তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক 