প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

গালাগালির উপকারিতা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

মিন্টু বাবু ব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশের পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের নিচে পাবলিকের ভিড় দেখে সেদিকে এগিয়ে গেলেন। সবাই ওপরের দিকে তাকিয়ে কী যেন দেখছে!
ভদ্রলোকও ওপরের দিকে তাকালেন। দেখলেন, ছাদের কার্নিশে একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই পাঁচতলা থেকে সোজা নিচে পড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা।
মিন্টু বাবু উপস্থিত একজনকে জিজ্ঞেস করলেন,
“মশাই, বিষয় কী?”
ভদ্রলোক বললেন,
“বউ ছ্যাঁকা দিয়েছে।
তাই আত্মহত্যা করার জন্য ছাদে উঠেছে।”
মিন্টু বাবু বললেন,
“আপনারা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন না?”
ভদ্রলোক বললেন,
“সবাই তাকে নেমে আসার জন্য বলছে, কিন্তু সে নামতেই চাইছে না।”
মিন্টু বাবুর মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। এমন তরতাজা নওজোয়ানরা তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে দেখে তাঁর মন ব্যথায় ভরে গেল। ব্যথার জন্য পাশের ফার্মেসি থেকে একটা পেইনকিলার খেয়ে ছেলেটাকে কীভাবে বাঁচানো যায়, সে চিন্তা শুরু করলেন।
আইডিয়া পেতে দেরি হলো না।
মিন্টু বাবু ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“কোন শু…র…বাচ্চা ছাদে উঠেছে রে?”
ওপর থেকে জবাব এলো,
“গালাগালি করে কে রে?”
মিন্টু বাবু আবার বললেন,
“বেশ করেছি গালাগালি করেছি। তুই কী করবি রে… দা-হা… মজা…?”
ওপর থেকে আত্মহননকারীর জবাব এলো,
“দেখুন, ভদ্রলোক মানুষ, মুখ খারাপ করবেন না।
আমি নেমে আসলে কিন্তু অবস্থা খারাপ করে ফেলব!”
এবার মিন্টু বাবু আসল বোমাটা ছাড়লেন—
“তোর এত বড় সাহস, আমাকে হুমকি দিস!
কু…চ্চা! সাহস থাকলে সামনে আয়… র ছেলে!”
ব্যস, এতেই কাজ হয়ে গেল। আত্মহননকারী আত্মহত্যার চিন্তা বাদ দিয়ে মিন্টু ঘোষকে ধরতে সিঁড়ি দিয়ে হড়হড় করে নামতে শুরু করল।
এই ফাঁকে মিন্টু বাবু দিলেন দৌড়।
সেই আত্মহননকারী আজও বেঁচে আছে।
মিন্টু বাবুকে উপযুক্ত শিক্ষা না দিয়ে সে মরবে না—এই পণ করেছে।

প্রতিষ্ঠাতা, ক্যাপশন নিউজ এবং ভিডিও এডিটরঃ মো: রাজিবুল করিম রোমিও, এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), প্রধান উপদেষ্টাঃ মো: সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মো: মাহিদুল হাসান সরকার, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ মো: আ: হান্নান মিলন, সহকারী সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: আব্দুল আজিজ, বার্তা সম্পাদকঃ মো: মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন