প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

নো পলিটিক্স প্লিজ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

আজব নগর মিউনিসিপ্যাল হাসপাতালের পঁচিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে যেন চাঁদের হাট বসেছে। এলাকার গুণীজন, রাজনৈতিক নেতা, ডাক্তার, কবি, গায়ক—সবাই উপস্থিত। তাঁদের মধ্যেই উপস্থিত আছেন ওই হাসপাতালে যোগদান করা প্রথম ডাক্তারও।
সভাটির উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যানের। কিন্তু তিনি উদ্যোক্তাদের ফোন করে জানালেন, তাঁর পৌঁছাতে কয়েক মিনিট দেরি হবে, তাই উদ্বোধনী ভাষণ যেন অন্য কেউ দিয়ে দেন।
অতঃপর সভায় উপস্থিত ওই হাসপাতালের প্রথম ডাক্তারের ওপরই উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার দায়িত্ব পড়ে।
ডাক্তার মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বলতে শুরু করলেন—
“নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা হয়তো আমাকে চিনবে না। আমি এই হাসপাতালের প্রথম ডাক্তার ছিলাম। আমার এখনও মনে আছে, যেদিন আমি এখানে কাজে যোগ দিই, সেদিন থেকেই হাসপাতালের পরিষেবাও শুরু হয়। আর আমার প্রথম রোগী ছিল একজন চোর। লোকজন তাকে মারধর করে আধমরা অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল।
চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখা গেল, ওই চোরের আরও অনেক রোগ আছে। যেমন—মদ, গাঁজা, ড্রাগস ইত্যাদি নেশার কারণে তার লিভার ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এমনকি কিছু গুপ্তরোগও ধরা পড়ে। যাই হোক, অনেক পরিশ্রম করে আমি তার সব রোগ সারিয়ে তুলেছিলাম। জানি না, আজ সে কোথায় আছে…!”
এমন সময় চেয়ারম্যান সাহেব সভাস্থলে এসে উপস্থিত হলেন। ডাক্তারবাবু তাঁর ভাষণ সংক্ষিপ্ত করে চেয়ারম্যানের হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিলেন।
এবার চেয়ারম্যান সাহেব মাইক হাতে নিয়ে বললেন—
“এই হাসপাতালের শুরুর দিন থেকেই আমি এর সঙ্গে জড়িত। আমিই এই হাসপাতালের প্রথম রোগী ছিলাম। এই হাসপাতালের প্রথম ডাক্তারবাবু সবার আগে আমারই চিকিৎসা করেছিলেন…”

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন