টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কষ্টাপাড়া গোবিন্দসী প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানো হয় এখানে এলাকায় ২০২১ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত। “একরা মদীনাতুল উলুম নূরানী মাদ্রাসা” বর্তমানে এলাকায় একটি সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের মানসম্মত ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষাদানে অনন্য ভূমিকা রাখছে। এখানে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ছোট ছোট সোনামণিদের আরবি, ইংরেজি ও গণিতসহ প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী আদর্শে গড়ে তোলা হয়।
অত্র মাদ্রাসার মোতামিম হাফেজ মাওলানা মুফতি জুনায়েদ আহমেদ বলেন,
“প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমরা শিশুদের নৈতিক, পারিবারিক ও ইসলামিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বিষয়গুলোতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের লক্ষ্য— এমন এক প্রজন্ম তৈরি করা, যারা দীন ও দুনিয়া উভয় জ্ঞানে আলোকিত হবে।”
বর্তমানে ছয়জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষাদান করছেন। মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি প্রতিনিয়ত সার্বিক তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
এই মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা খন্দকার সোমেশ, যিনি শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন,
“আমরা চাই এই মাদ্রাসা শুধু একটি শিক্ষালয় নয়, বরং শিশুদের নৈতিক ও আত্মিক বিকাশের কেন্দ্র হোক। এখানে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে, যেখানে শিশুরা জ্ঞান, আচরণ ও বিশ্বাস— তিন ক্ষেত্রেই গুণগতভাবে বিকশিত হতে পারে।”
প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের সার্বিক সহায়তায় একরা মদীনাতুল উলুম নূরানী মাদ্রাসা আজ একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠছে। সুশৃঙ্খল প্রশাসন, মানসম্মত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্তরিকতা এবং ইসলামী মূল্যবোধের চর্চায় মাদ্রাসাটি এগিয়ে চলছে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে।
এলাকার শিক্ষানুরাগী মহল আশা প্রকাশ করেছেন
একরা মদীনাতুল উলুম নূরানী মাদ্রাসা ভবিষ্যতেও সুনাম, শৃঙ্খলা ও গৌরবের সঙ্গে আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

খন্দকার আউয়াল টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 