সারা বাংলাদেশে আলোচিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যাকাণ্ড
হত্যাকান্ডের ৬ বছর অতিবাহিত হলেও এখন রায়কার্যকর হয়নি!
বিগত ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় টেকনাফ শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশীর নামে গাড়ি থেকে নামিয়ে হাত উচু করা দুর্দান্ত সাহসী তরুণ অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা, মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদকে টেকনাফ থানার (ওসি)র’ এর’ এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ক্রসফায়ার নামধারী খুনি প্রদীপের নির্দেশনায় এস,আই লিয়াকত আলীর তাক করা বন্দুকের গুলিতে নির্মম ভাবে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ।
ঘটনার সত্যতা বিজ্ঞবিচারিক আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় ওসি প্রদীপের ফাঁসির আদেশ দেন মহামান্য আদালত।
ঘটনার ৬ বছর গত হলেও এখনো সেই আলোচিত রায় কার্যকর হয়নি।এই বিষয় নিয়ে উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়া সে ছোট্ট কিশোর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের বাল্যকালের বন্ধু উখিয়া উপজেলার প্রথম ব্লাকব্যাল্ডধারী মার্শাল আর্টিস বকুল চন্দ্র মল্লিক জানান আমি এখনো তার স্মৃতি ভুলতে পারেনি উখিয়া উপজেলা দিঘিতে আমরা একসাথে সাঁতার কাটতাম শিশুকালে সিনহা এবং আমি একসাথে উখিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে ক্রীকেট খেলতাম। তার এমন অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যায় সত্যি আমি বেদনাহত। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বকুল অঝর নয়নে কেঁদে ফেলেন। পরে একান্ত স্বাক্ষাতকারে উখিয়া উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান, জননেতা, মাহমুদূুল হক চৌধুরী প্রতিবেদককে জানান আমি যখন উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে ছিলাম সিনহার বাবা উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উখিয়ায় ছিলেন। রাশেদকে আমি অনেক আদর করতাম, সে বেঁচে নেই, তাকে হত্যা করা হয়েছে ভাবতে আমার অনেক কষ্ট হয়।
সারা বাংলাদেশে সিনহা ভক্তদের এখন একটাই দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে যেন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়।
