টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে গরিলা বাড়ি নৌকা ঘাট থেকে যমুনাবালি চরের উদ্দেশ্যে নৌকায় রওনা হয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। নদী পারাপারের এই চিরচেনা দৃশ্য যেন আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে যমুনার বুকে।
আজ সকাল থেকেই ঘাটে ছিল যাত্রীদের ছোটখাটো ভিড়। কেউ কাজে, কেউবা আত্মীয়ের বাড়ি, আবার কেউ প্রয়োজনীয় বাজার-সদাই নিয়ে যাচ্ছেন চরে। সহজ-সরল মানুষের হাসি, গল্প আর নদীর ঢেউ—সব মিলিয়ে এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
নৌকা ছাড়তেই ধীরে ধীরে পেছনে পড়ে থাকে ঘাটের কোলাহল। সামনে বিস্তীর্ণ যমুনা, মাঝ নদীতে হালকা বাতাস আর ঢেউয়ের দোলায় এগিয়ে চলছে নৌকা। মাঝির দক্ষ হাতে নিরাপদেই নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, যমুনাবালি চরে যাতায়াতের জন্য নৌকাই তাদের প্রধান ভরসা। প্রতিদিনই এভাবেই মানুষ নদী পাড়ি দেন জীবিকার তাগিদে ও প্রয়োজনের কারণে।
নদীর বুকে এই যাত্রা শুধু এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাওয়া নয়—এ যেন গ্রামবাংলার জীবনচিত্রের এক জীবন্ত।

