রাজশাহীর ইনিংসে উইলিয়ামসনের “এংকর” ভূমিকার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ১১ ওভারের পর দলের অবস্থান ছিল ৮০/৫—চাপের মধ্যে। ক্রিজে থাকা উইলিয়ামসন রিস্ক না নিয়ে কৌশলগতভাবে খেলতে শুরু করেন। ছোট ছোট রান—সিঙ্গেল এবং ডাবল—নিয়ে তিনি ক্রমাগত রানরেট বজায় রাখেন, যাতে দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করা যায়।
নিশাম যখন বাউন্ডারি মারছিলেন, উইলিয়ামসন ছিলেন আরেক প্রান্তে, কোনো ডট না খেয়ে ইনিংসের গতিশীলতা বজায় রাখছিলেন। তার এই কৌশল দলের জন্য প্রোপার স্কোর গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করেছে। মিরপুরের ট্রিকি পিচে রাজশাহী শেষ পর্যন্ত ১৬৫ রান করতে পেরেছে—এটি মূলত উইলিয়ামসনের ধৈর্যশীল ও ক্যালকুলেটিভ “এংকর” এপ্রোচের ফল।
এই ইনিংস হয়তো তাত্ত্বিক দিক থেকে কোনো ঝলক দেখায়নি—চার ছক্কা বা ছক্কার সমাহার নেই, বয়সের কারণে আগের সেই তীক্ষ্ণতা নেই। কিন্তু দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করা এবং বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে খেলা পরিচালনা করা মানেই এটি ছিল মাস্টারফুল ইনিংস।
সুতরাং, এমন ধৈর্যশীল, কৌশলগত ইনিংসই উইলিয়ামসনকে বিশ্বসেরা “এংকর” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

