অনলাইন ডেস্ক
জ্বলন্ত যবনিকা
•••••••••
খন্দকার মোস্তাক আহমদ ছানু
•••••••••
কানা কুয়া ডাকে না আর ভর দুপুরে,
অদ্ভুত কাঁপানো সুরে,
শিমুল বিছানো পথে,
পলাশের বনে,
বুলবুলির গানে,
মাঘের শেষে হয় ফাগুনে,
শিশিরের সাথে লুকোচুরি নাই,
দোয়েলের কাছে,
সাত সকালে কিচিরমিচির ডেকে চলে,
কাকাতুয়া গেয়ে চলে নিজের মনে,
ধানশালিকেরা কথা বলে,
ঘরের চালে,
দল বেঁধে,
আমার চলা হলো না তোমায় নিয়ে,
জ্বলন্ত যবনিকায়,
এ মন কখনো বা কেঁদে ওঠে।
জ্যৈষ্ঠের দাব দাহে চৈত্র শেষে,
কৃষ্ণচূড়া বিথীকা ফুলে ফুলে,
পাতায় রঙে লাল সবুজে,
শুধু দেখা হলো না অপরাহ্নে,
বেলা অবেলা নীল শাড়ি পড়া,
খোপার বাঁধন খুলে,
এলো চুলে তোমার বসন,
স্নান শেষে অপরূপ মুগ্ধ করে,
বারান্দায় জানালার পরে।
বেলকনিতে দাঁড়িয়ে হঠাৎ,
আমার অপলক দৃষ্টি এড়িয়ে,
তোমার শাখা,চুরি, নুপুরের শব্দ,
নতুন দুনিয়া, আজ আমায় অবাক করে।
দেখা হবে না হয়তো কোনোদিন,
এক জীবনে,
মেঠো পথে সবুজের দেশে,
সীমান্ত জোড়া মাঠের পরে,
কলেজ ক্যাম্পাসে লোকের ভিড়ে,
চোখের কথা চলে না চোখে,
নীরবতা সম্মতি,
এক কথায় অসত্য,
জ্বলন্ত সত্য,
জীবনের সীমান্তে দাঁড়িয়ে,
আমি একজন,
দেয়ালে চিহ্ন রেখে,
বিচারহীন ভালোবাসা রেখে গেলে,
জানা হলো না বিদায় বেলা,
বেলা শেষে,
বিদায় জ্বলন্ত যবনিকা পরিশেষে।