শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ত্রিধা চৌধুরী টালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন বলিউডে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

কলকাতার বঙ্গ সুন্দরী ত্রিধা চৌধুরী টালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের মেধা – প্রতিভা ও গ্ল্যামারের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন খোদ বলিউডে। এর আগে সৃজিত মুখার্জির ‘মিসর রহস্য’ দিয়ে অভিনয় যাত্রা শুরু করেছিলেন ত্রিধা চৌধুরী। এখন তিনি মুম্বাইয়ের হিন্দি ওটিটি অঙ্গনে বেশ পরিচিত মুখ। বলিউডি নির্মাতা প্রকাশ ঝা পরিচালিত জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘আশ্রম’ এ ববি দেওলের সঙ্গে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। আবার এটা নিয়ে বিতর্কেও জড়িয়েছেন। নিজের সেই বিতর্কিত দৃশ্য এবং অন্তরঙ্গ অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্রিধা বলেন, পর্দার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলো তিনি মোটেও উপভোগ করেন না। চরিত্রের প্রয়োজনে পেশাদারত্বের খাতিরেই তিনি তা করেন।
ধারালো ফিগারের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী ত্রিধা বলেন, একজন অভিনয়শিল্পী যে সীমা মেনে কোনো চরিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সম্মত হয়েছেন, তার পেছনে অনেক নিবেদন থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ‘আশ্রম’ এ আমার চরিত্রটি ছিল যৌনকর্মীর, তাই পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকতেই পারে। তবে শুটিংয়ের সময় আমি এটি উপভোগ করি না, এটি আমার কাজের অংশ মাত্র।
পর্ন সাইটে নিজের অভিনীত সিরিজ বা সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্য কেটে বিভিন্ন পর্ন সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ত্রিধা। তিনি মনে করেন, এর দায়ভার প্রোডাকশন টিমের। ত্রিধা বলেন, প্রোডাকশন টিমের উচিত ছিল নিশ্চিত করা যে এ ধরনের অন্তরঙ্গ দৃশ্য যেন পর্ন সাইটে ছড়িয়ে না পড়ে। এটি নির্মাতারও দায়িত্ব। কোনো কারণে ছড়িয়ে গেলে তা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি এবং রিলস বা শর্টসের কারণে অভিনেত্রীদের কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন তিনি। ত্রিধা’র মতে, এখন সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্য রিলস বা শর্টসেও ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। দর্শকরা প্রায়ই ভুলে যান, আমরা পর্দায় অভিনেত্রীকে শুধু চরিত্রের অংশ হিসেবে দেখি, বাস্তব জীবনের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
‘আশ্রম’ সিরিজে বলিউড তারকা ববি দেওলের সঙ্গে সেই দৃশ্যগুলোর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ত্রিধা বলেন, শুরুতে তিনি বেশ নার্ভাস ছিলেন। যদিও শুটিংয়ের সময় সহঅভিনেতা ববি দেওল এবং পরিচালক প্রকাশ ঝা তাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ত্রিধা মনে করেন, সংবেদনশীল দৃশ্যে সবার সহযোগিতা থাকলেই শিল্পীর আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং কাজ করা সহজ হয়ে যায়।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন