পাবনার আটঘরিয়ায় খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আইডি কার্ডধারী বিক্রেতাদের বহাল রাখা, টি.ও. লাইসেন্স প্রদান এবং ২০০৯ সালের সারনীতি বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ নভেম্বর, রবিবার দেবোত্তর বাজার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে মিলিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেন খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আটঘরিয়া উপজেলা সভাপতি মো. আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সোনা, কোষাধক্ষ মো: আখতার বিশ্বাস, সজন আহমেদ, আরমান হোসেন, নিরুন্নবী ও শহিদুল ইসলামসহ অনেকে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে প্রণীত সারনীতি আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় আইডি কার্ডধারী বিক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। তাদের দাবি, অতীতে খোলা বাজারে সার বিক্রি হলেও পরবর্তীতে কালোবাজারি ঠেকানোর নামে সারনীতি তৈরির উদ্যোগ নেয় বিসিআইসি। অথচ এই নীতির কোনো অংশই বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়নি।
আইডি কার্ডধারী বিক্রেতাদের অভিযোগ—এ যাবতকালে সার মনিটরিং কমিটি একদিনের জন্যও মিটিং, নির্দেশনা বা তদারকি করেনি। ২০০৯ সালের সারনীতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, বিসিআইসি বরাদ্দকৃত সারের কমপক্ষে অর্ধেক স্থানীয় আইডি কার্ডধারী বিক্রেতাদের সরবরাহ করার কথা। কিন্তু ডিলাররা কখনোই এই নিয়ম মানেননি বরং নিজেরাই অধিকাংশ সার বিক্রি করে কালোবাজারির সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।
উপস্থিতরা আরও বলেন, উপজেলার বেশিরভাগ বিসিআইসি ডিলারের ঠিকানা স্থানীয় নয়, ফলে তাদের সঙ্গে কৃষকদের কোনো যোগাযোগ নেই। অন্যদিকে বিএডিসির ডিলারদের পরিচিতিও নেই সাধারণ কৃষকদের কাছে—তাদের দোকানের অবস্থানও অনেকেই জানেন না। এতে কৃষকরা প্রকৃত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
খুচরা সার বিক্রেতাদের দাবি—অবিলম্বে ২০০৯ সালের সারনীতি বাস্তবায়ন করতে হবে এবং স্থানীয় আইডি কার্ডধারী বিক্রেতাদের বিসিআইসি ডিলার হিসেবে দ্রুত নিয়োগ দিতে হবে।

