মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিজাম, ইসলামী আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালক, তৃণমূল বিএনপির অত্যন্ত প্রিয় মুখ হিসেবে বগুড়া ৪ কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার দাবি তোলার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিজাম বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তিনি সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি তৃণমূলের রাজনৈতিক সংগঠনে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
রাজনীতিতে তার সংগ্রামের ইতিহাস সত্যিই চিত্তাকর্ষক। ২০০৬ সালে বিএমপির প্রতিবাদ মিছিল বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের অফিস কার্যালয়ের সামনে গিয়ে, আওয়ামী লীগের পেটুয়া বাহিনীর হাতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি আবারও সুস্থ হয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসেন।
ওয়ান ইলেভেনের সময় বগুড়া সদর থানার সামনে পুলিশের ছড়া গুলিতে সামান্য রক্ষা পান। এরপর ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগের পেটুয়া বাহিনী হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর গাড়ি চাপা দেওয়া হলে তিনি একটি পা ভেঙ্গে যায়, যা সঠিকভাবে হাঁটার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তবুও তিনি কখনো রাজনৈতিক আদর্শে স্থবির হননি। প্রতিটি সময় তৃণমূল নেতাকর্মীর পাশে থেকে তাদের সুরক্ষা ও সাহায্যের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিজামের এই ত্যাগ, নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে তাকে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে প্রমাণ করেছে। তাঁরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছেন, আগামী দিনের বগুড়া ৪ কাহালু-নন্দীগ্রামে তৃণমূলের নেতৃত্বে এমন একজন পরীক্ষিত নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হোক এবং ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হোক।
এই অনন্য নেতৃত্বের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সংবিধানমুখী আদর্শের চেতনা প্রতিফলিত হয়—সত্যনিষ্ঠা, সাহস এবং জনগণের প্রতি অটল নিবেদন। রাজনীতির এই ধারায় মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিজামকে সামনে নিয়ে আসা, বগুড়া ৪ কাহালু-নন্দীগ্রামে নতুন রাজনৈতিক প্রেরণা যোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

