রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা একাধিক ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

খুলনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি এখন প্রতিদিনের নমুনা চিত্র।

জ্বালানি সংকটে অনেক পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকছে দিনের অধিকাংশ সময়। সরকার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার বার্তা দিলেও ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছে না। তেলের জন্য লম্বা সময় লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ার অভিযোগ অনেক গাড়ির চালকের। তেল সরবরাহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে একাধিক ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে।

তৃপ্ত রোদে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত একাধিক মোটরসাইকেল চালক অভিযোগ করে বলেন, পাম্পের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি গাড়ির জন্য ৩০০ টাকার তেল দেওয়া নির্ধারণ করা হয়।

ফুল ট্যাংকি তেলের জন্য বাড়তি দেড় থেকে দুইশ টাকা ‘সম্মানী’ দাবি করেন গোপন সূত্রে জানতে পারি। বাড়তি টাকা না দিলে তারা বলেন, ৩০০ টাকার বেশি তেল দেওয়ার নিয়ম নেই। কয়কটি ফিলিং স্টেশনে ঘুরে ঘুরে দেখলাম লম্বা সারি সারি লাইন, মেসার্স সুলতানা ফিলিং স্টেশন রেলিগইট, মেসাস খুলনা ফিলিং স্টেশন নতুন রাস্তা, মেসার্স রেনা ফিলিং স্টেশন নতুন রাস্তা, মেসার্স মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার পাওয়ার হাউস,মেসার্স কেসিসি পেট্রোলিয়াম ডিলার,পাওয়ার হাউস, খুলনা।

একাধিক চালক জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও তেল পাননি তারা। অথচ, বাড়তি টাকা দিলে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে গোপনে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। একজন নাম না জানা মোটরসাইকেল চালক বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পেলাম না। পরে দেখলাম, বাড়তি টাকা নিয়ে অন্যদের তেল দেওয়া হচ্ছে। এটা প্রকাশ্য অনিয়ম। শুধু পাম্পেই নয়, খোলা বাজারেও চলছে কালোবাজারি। দিঘলিয়া ও গাজীরহাটে এবং খুলনার বিভিন্ন এলাকার কিছু দোকান ও সার্ভিস সেন্টারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাম্পের কিছু অসাধু কর্মচারী ও ব্যবসায়ী চক্রের যোগসাজশেই এই অনিয়ম চলছে। পাম্পে সরবরাহ সীমিত দেখিয়ে জ্বালানি গোপনে সরিয়ে নিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। খুলনার প্রতিনিধি জানান, সেখানে জ্বালানি তেলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। শনিবার সকাল থেকে অনেক পাম্পে অকটেন ছিল না। বাইকাররা বলছেন, সকালে বেশির ভাগ পাম্পে তেল থাকে না। দুপুরের পর তেল পাওয়া গেলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। সরেজমিনে খুলনায় বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে, অনেক পাম্পে তেল ছিল না। কয়েকটি পাম্পে শুধু ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। শত শত মোটরসাইকেলের লাইন পাম্প এলাকা ছাড়িয়ে রাস্তা জুড়ে চত্বরগুলো যানজট লেগে যায়।

তেলের জন্য অপেক্ষমাণ মোটরসাইকেল চালক সেলিম বলেন, সকালে খুলনার পাওয়ার হাউস পাম্পে গিয়ে দেখি অকটেন নেই। দুপুরে এখানে এসে দেখি আমার সামনে ৩০০ জনের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ৩-৪ ঘণ্টার আগে তেল পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পাম্পে অকটেন নিতে আসা প্রাইভেটকার চালক আল-আমিন বলেন, সকাল ১০টার দিকে এসেও ৫০ জনের পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৩০০টাকার তেল পেয়েছি। সেজন্য রেশনিং করে তেল বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু পাম্পে ডিজেল বিক্রি করতে দেখা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন