শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোথায়?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে। কারণ, তাঁরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন।’

হাসনাত বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকেরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এই ধরনের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় নয়, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটা অন্তত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না, বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন