বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সাবেক এমপি মুজিবের বাসায় গুলি: লুট হওয়া অস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম-১৬(বাঁশখালী) এর সাবেক সংসদ সদস্য স্বনামধন্য শিল্পগ্রুপ স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ঠ শিল্পপতি আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান সিআইপি’র চন্দনপুরাস্থ বাসায় চাঁদার দাবীতে গুলি করে ত্রাস সৃষ্টি করা ৩ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের চৌকশ একটি টিম। নগরীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি এসএমজি ও দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া পিস্তল দুটি বিভিন্ন থানা থেকে লুট করা এবং এসএমজিটি ব্যবহার করা হয়েছিল সাবেক এমপি ও শিল্পপতি মুজিবুর রহমান সিআইপির বাসভবনে ব্রাশফায়ারের ঘটনায়।
১০ মার্চ(মঙ্গলবার) রাতে সিএমপির দামপাড়া মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।
পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় আবদুল কাউয়ুম চৌধুরী ইমনকে। তিনি আলোচিত ‘এইট মার্ডার’ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে চকবাজার থানা পুলিশ তার কাছ থেকে ৯ রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, পিস্তলটি পাহাড়তলী থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।
ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে অভিযান চালিয়ে মনির ও সায়েম নামে আরও দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মনিরের কাছ থেকে ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে সায়েমের দেওয়া তথ্যে উদ্ধার করা হয় একটি এসএমজি।
পুলিশের দাবি, গত ২ মার্চ সকালে সাবেক এমপি ও শিল্পপতি মুজিবুর রহমান সিআইপির বাসভবন লক্ষ্য করে যে ব্রাশফায়ারের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছিল, ওই এসএমজিটি সেই ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছিল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার পুলিশের অভিযানের একটি বড় সাফল্য। গ্রেপ্তার হওয়া আসামীদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। রিমান্ডে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রটির নেটওয়ার্ক এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন