আসলেন তিনি—
তারুণ্যের অহংকার,
আশার ঠিকানা,
দেশ বদলের দৃপ্ত ডাক।
দেখলেন তিনি—
লক্ষ মানুষের চোখে
একটাই স্বপ্ন,
একটাই প্রতিজ্ঞা।
আর জয় করলেন—
যশোরের মাটি,
জনতার মন,
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
উপশহর কলেজ মাঠ
সেদিন ছিল না শুধু জনসভা,
ছিল জনজোয়ার,
ছিল ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।
তিনি বললেন—
ভোট মানে শুধু নির্বাচন নয়,
ভোট মানে অধিকার,
ভোট মানে ব্যালট বিপ্লব।
১২ ফেব্রুয়ারি—
ধানের শীষে ভোট দিয়ে
বাংলাদেশ গড়ার শপথ নাও,
এই আহ্বানেই কেঁপে উঠল মাঠ।
দুই হাত তুলে জনতা জানাল—
আমরা প্রস্তুত,
আমরা ঐক্যবদ্ধ,
ধানের শীষেই আমাদের বিশ্বাস।
তিনি বললেন নারীর কথা—
অর্ধেক মানুষকে পেছনে রেখে
দেশ এগোয় না।
নারী-পুরুষ একসাথে চললেই
উন্নয়ন পায় গতি,
সমাজ পায় শক্তি।
তিনি বললেন কৃষকের কথা,
কামার-কুমার, জেলে-তাঁতি—
ঘামে ভেজা হাতেই
দেশের আসল ভিত্তি।
তিনি বললেন ধর্মের মর্যাদা—
মসজিদের ইমাম,
মন্দিরের পুরোহিত,
গির্জার ফাদার—
সবাই এই দেশের সম্মান।
আর তরুণ সমাজ—
তোমরাই আগামী,
তোমাদের হাতেই
নতুন বাংলাদেশের চাবি।
সব মিলিয়ে যশোর জানিয়ে দিল—
নেতা এভাবেই হয়,
যিনি কথা নয়,
ভরসা দেন।
১২ ফেব্রুয়ারি—
ধানের শীষে ভোট দাও,
জনগণের সরকার গড়ো,
বাংলাদেশ জিতবে—
ইনশাআল্লাহ।
