বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

তবু কি জমল ওটিটি?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক

জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, জয়া আহসান, আফরান নিশোদের মতো তারকার সিনেমা-সিরিজ এসেছে। তবু ২০২৫ সালে হইচই ফেলে দেওয়ার মতো কাজ ওটিটিতে ছিল না। থ্রিলারের বাইরে ব্যতিক্রমী কিছু করার চেষ্টা অবশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
বড় তারকাদের উপস্থিতি
বড় তারকাদের মধ্যে চলতি বছর ওটিটিতে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে মোশাররফ করিমকে। ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ (হইচই), ‘অন্ধকারের গান’ (বিঞ্জ), ‘মির্জা’ (বঙ্গ), ‘ডিমলাইট’-এ (চরকি) দেখা গেছে অভিনেতাকে। চারটি ওয়েব সিনেমার মধ্যে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর বোহেমিয়ান ঘোড়া আর শরাফ আহমেদের ‘ডিমলাইট’ ছাড়া বাকি দুই কাজই গড়পড়তা। মোশাররফ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু দুই প্রকল্পের চিত্রনাট্যে দম ছিল না।
জয়া আহসানকে প্রথমবার দেখা গেছে দেশের ওটিটিতে; আশফাক নিপুনের সেই সিরিজ ‘জিম্মি’ অবশ্য তেমন জমেনি। ভিকি জাহেদের ‘নীল সুখ’-এ দেখা গেছে মেহজাবীন চৌধুরীকে। অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করেছেন মেহজাবীন; সিরিজটিও মন্দ ছিল না।
বিরতির পর ভিকি জাহেদের ‘আকা’ দিয়ে ওটিটিতে ফেরেন আফরান নিশোও। সিরিজে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। তবে শুরুটা ভালো হওয়ার পরও সিরিজটি শেষ পর্যন্ত ঠিক জমেনি।
দুর্বল প্রত্যাবর্তন
আপাদমস্তক শয়তানি কিন্তু মেজাজে রসিক—এমন একটা চরিত্র অ্যালেন স্বপন। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা চরিত্রটিকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন নাসির উদ্দিন খান। তাঁর উপস্থিতি এতটাই প্রবল যে একাই পুরো সিরিজকে টেনে নিয়ে যেতে পারেন তিনি, সে গল্প যা-ই হোক। ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’-এর প্রথম কিস্তি ছিল দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত একটা কাজ। কিন্তু চলতি বছর চরকিতে মুক্তি পাওয়া ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন ২’ মোটেও জমেনি। এবারও নাসির উদ্দিন আছেন, পর্দায় তাঁর খ্যাপাটে পারফরম্যান্সও আছে, তবে শিহাব শাহীনের সিরিজটির চিত্রনাট্যের গাঁথুনি কোথাও যেন ঢিলে হয়ে গেছে।
ব্যতিক্রমী চেষ্টা
সারা দুনিয়ার ওটিটির কনটেন্টেই ক্রাইম-থ্রিলারের জয়জয়কার; তবে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছে দেশি প্ল্যাটফর্মগুলো। চরকির ‘ফেউ’ ও ‘গুলমোহর’ ছিল তেমনই চেষ্টা। মরিচঝাঁপি গণহত্যার পটভূমিকায় নির্মিত সুকর্ণ সাহেদের সিরিজ ফেউ ছিল সাহসী কাজ; তবে এর দুই কিস্তি একসঙ্গে মুক্তি পেল ভালো হতো।
এবং রাফী
শুরুতে দুটি আর শেষে দুটি—সব মিলিয়ে ২০২৫ সালে রায়হান রাফীর একটি ওয়েব সিরিজ আর তিনটি ওয়েব সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। ২ জানুয়ারি বঙ্গতে আসে নির্মাতার প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘ব্ল্যাক মানি’। সিরিজটি কেমন হয়েছে, প্রথম আলোর রিভিউয়ের শিরোনামেই তা বলে দেওয়া হয়েছে—‘হরেক রকম মরিচ তবে ঝাল কম’। শুরুটাও যদিও মন্দ ছিল না। পরিচালক বলেছিলেন, এটা ‘ডার্ক কমেডি’।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার, উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, উপদেষ্টাঃ সাঈদা সুলতানা, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), সহ-সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন