জুটিবদ্ধ হয়ে মোহরা ছবিতে অভিনয়ের পর থেকেই রাভিনা ট্যান্ডন ও অক্ষয় কুমারের প্রেমের সম্পর্ক বলিউডে বেশ আলোচিতই ছিল। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে পরিবারের মত নিয়ে এই তারকা জুটি বিয়ের জন্য বাগদানও সেরেছিলেন। কিন্তু পরে সেটা ভেঙে যায়। সম্প্রতি তাদের বাগদান প্রসঙ্গে পুরোনো একটি ভিডিও হঠাৎ ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে নেটিজেনদের মাঝে চর্চায় এসেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়েছিলেন রাভিনা ট্যান্ডন। সেখানে তাকে জানানো হয় – ইন্টারনেটে এখনো অনেকে খোঁজেন, রাভিনা – অক্ষয়ের বাগদান বা কোন বছরে রাভিনা – অক্ষয়ের বাগদান হয়েছিল ? সঞ্চালকের কথা শুনেই রাভিনা হেসে বলেন, এগুলো তো ভুলেই গেছি আমি।
তিনি আরও বলেন, মোহরা’র সময় আমরা খুব জনপ্রিয় জুটি ছিলাম। এখনও কোথাও দেখা হলে গল্প হয়। সবাই জীবন নিয়ে এগিয়ে যায়। কলেজের মেয়েরা প্রতি সপ্তাহে প্রেমিক বদলায়, আর আমার একটা ভাঙা বাগদান নিয়ে এত বছর পরও এত আলোচনা! কেন, বুঝি না। বিচ্ছেদ, তালাক – এসব তো জীবনেরই অংশ।
বাগদান ভাঙা ছাড়াও অক্ষয় ও রাভিনাকে নিয়ে চটকদার খবর প্রায়ই দেখা যায় ভারতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে। এগুলো চোখে পড়লেও এড়িয়ে যান রাভিনা। তার ভাষায় – আজকাল যা লেখা হয় বা কনটেন্ট বানানো হয়, সব পড়লে তো নিজের রক্তচাপ বেড়ে যাবে। তাই পড়িই না, দেখিও না। এটাই আমার কাছে ভালো মনে হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে মোহরা ছবির শুটিং করতে গিয়ে রাভিনা ও অক্ষয়ের প্রেমের শুরু। কিছুদিনের মধ্যেই গোপনে বাগদানও সারেন। পরে দু’জনই এই বাগদানের কথা স্বীকার করেন। রাভিনা আগেও জানিয়েছেন, জনপ্রিয়তা ভাটা পড়ার আশঙ্কায় অক্ষয় সেই সময়ে বাগদান প্রকাশ্যে আনতে চাইতেন না। কিন্তু পরে সম্পর্কে ফাটল ধরে। সহ-অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির সঙ্গে অক্ষয়ের ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জনও তাদের সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ বলে জানা যায়। কয়েক দফা মিল – মিশের চেষ্টা হলেও ১৯৯৮ সালে তাদের সেই বাগদান ভেঙে যায়।
এরপর ২০০১ সালে টুইঙ্কল খান্নাকে বিয়ে করেন অক্ষয়। রাভিনা বিয়ে করেন চলচ্চিত্র পরিবেশক অনিল ঠাডানিকে। অক্ষয় দুই সন্তানের জনক। রাভিনা’র দুই সন্তান ছাড়াও দুই মেয়েকে দত্তক নিয়ে বড় করছেন।
