ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ফার্মেসী গুলোতে ঔষধের মূল্য নিয়ে এক ভয়ানক কারসাজি চলছে, দেখার যেনো কেউ নেই। অনেক ঔষধের এমআরপি মূল্য থেকে তিনগুণ দাম বাড়তি নিচ্ছে, প্রডাক্ট কম, বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না এমন সব ওজুহাত দিয়ে ভোক্তাদের পকেট কাটছে।
টেটরাসল MRP. মূল্য ১২৫ টাকা হলেও
ফার্মেসীগুলোতে বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা দামে।
ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ না হয়ে বরং ভোক্তাদের পকেট কাটা হচ্ছে দেদারসে।
নাপিত খোলা আলী মেডিসিন নামে ফার্মেসীতে এটি কিনতে গেলে ২৬০ টাকা দাম চায়, MRP মূল্য ১২৫ দেখে জিজ্ঞেস করলে
সে দোকানদার গ্রাহকের সাথে চটে যান, এবং ঔষধের প্যাকেটের ছবি তুললে তিনি সেটি আর বিক্রি করতে রাজী হয় না, এবং অসৎ আচরণ করেন।
গ্রাহক ২৬০ টাকা দামে কেনার আগ্রহী হয়ে ক্যাশ মেমো চাইলে
তিনি, ঔষধ রেখে দেন বিক্রি করবেন না সাফ জানিয়ে দেন ।
উপজেলার ফার্মেসীগুলো ভোক্তাদের রক্ত চুষছে অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে, এবং ভোক্তা সূত্রে জানা গেছে মৃত্যু ঝুঁকির তোয়াক্কা না করে কিছু অসাধু ফার্মেসী ব্যবসায়ী মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ, ও সেম্পল বিক্রি করে যাচ্ছে । এবং চরা দামে বিক্রি ও নকল ঔষধের ছড়াছড়ি তো আছেই।
বেশিরভাগ ফার্মেসিতে নিয়োজিত আছে স্বল্প শিক্ষিত অনাভিজ্ঞ ও অপ্রাপ্ত কিশোর বয়সীরা। , ট্রেড লাইসেন্স,ও ড্রাগ লাইসেন্স
৭০ শতাংশ ফার্মেসীদের নেই।
ফলে একদিকে সরকারী রাজস্ব হারাচ্ছে
অপরদিকে অনাভিজ্ঞ ও স্বল্প শিক্ষিত হওয়ায় প্রেসক্রিপশন না বুঝায় সঠিক ঔষধ বিতরণ ও বিক্রিতে অনিশ্চয়তার ঝুঁকি থাকছেই। আর গ্রামাঞ্চলের ফার্মেসিগুলোতে অবস্থা আরো ভয়াবহ আকারে, দেদারসে এন্টিবায়োটিক ও কামোত্তোজক ট্যাবলেট /ক্যাপসুল বিক্রি করছে যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর ও প্বার্সপ্রতিক্রীয়া প্রবণ। আর ডাঃ না হয়েও নানা ধরণের
জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে।
