বগুড়ার গাবতলীতে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। পুলিশ টিএমএসএস গাবতলী শাখার এক এনজিও কর্মীকে আটক করেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূর সাথে আটককৃত এনজিও কর্মীর পরিচয় হয় চলতি বছরের ২ জুন। তিনি কিস্তির টাকা সংগ্রহের সুবাদে ভুক্তভোগীর শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা বলা শুরু হয়। প্রবাসে থাকা স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে এনজিও কর্মী বিবাহের প্রলোভন দিয়ে ভুক্তভোগীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি কৌশলে গৃহবধূর কাছ থেকে নিয়মিত টাকা ও উপহার সামগ্রী গ্রহণ করতেন এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ঘোরাফেরার পাশাপাশি একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত ৮ আগস্ট দুপুরে গাবতলীর ভাঙ্গনপাড়া প্রশিকার মোড়ের টিএমএসএস অফিসের একটি কক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
ঘটনার বিষয়টি গৃহবধূ তার পরিবারকে জানালে তারা আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করে বিলম্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এজাহারে দুইজন নারী সাক্ষীর নামও উল্লেখ রয়েছে।
গাবতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা দ্রুত আসামীকে আটক করেছি এবং আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

