A Black Story Behind the Painting
সে এক পুরোনো রাস্তা। গাছের সারি ধরে হেঁটে যায় সময়, আর সেই গাছের গায়ে আঁকা লাল দাগ যেন কোনো পুরোনো ক্ষতের চিহ্ন। ছবির নারীটি দাঁড়িয়ে আছেন এক অদ্ভুত নিরবতায়—যেখানে নীরবতা চিৎকার করে, কিন্তু কেউ শুনে না।
তিনি একজন লেখক ছিলেন, সমাজের সব কষ্ট ও অবহেলার গল্প লিখতেন। কিন্তু একদিন তার লেখা বন্ধ করে দেওয়া হয়, কারণ তার কলম সত্য বলতো, আর সত্য—সবসময় স্বস্তির হয় না।
তার পরিবার, বন্ধুরা একে একে সরে যায়। সমাজ তাকে “পাগল” বলে ডাকে। অথচ সে শুধু গাছে গাছে নিজের কথা খুঁজে ফিরছিল।
এই ছবিটি তোলা হয়েছিল যেদিন সে নিজের পুরোনো গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। এই পথেই কোনো একদিন হাত ধরে হেঁটেছিলেন তার ভালোবাসার মানুষ। এখন, সেই মানুষ নেই। কেবল গাছগুলো আছে, চুপ করে দাঁড়িয়ে।
গাছের নিচে সে দাঁড়িয়ে ছিলো দীর্ঘক্ষণ। তার চোখে জল ছিল না, ছিল আগুনের ছায়া। মনে হচ্ছিলো যেন সে গাছগুলোকেই বলছে—
“তোমরা তো জানো, আমার কাহিনি কেউ শুনলো না, কিন্তু তোমরা তো দেখে গেলে সব।”
এই জলরঙের ছবির পেছনে তাই শুধু রং নয়, রয়েছে অদেখা ছায়া, হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠ, আর এক নিঃশব্দ প্রতিবাদ। ছবিটি যেন চিৎকার করে বলে—
“প্রতিটি গাছ সাক্ষী, মানুষ ভাঙে, হারায়, কিন্তু আবার দাঁড়ায়।”
