হে বীর, হে জ্ঞানসিন্ধু, আলী মুর্তজা,
খোদার সিংহ তুমি, দীনের দিশা।
তোমার তলোয়ার, জুলফিকারের ঝলকানি,
কাফেরের বুকে ধরিয়েছে কাঁপোনি।
জ্ঞানের সাগর তুমি, বীরত্বের ধার,
খোদার সিংহ তুমি, অনুপম তোমার অপার।
মক্কা হতে মদিনা, ঈমানের পথে,
নবীর পাশে ছিলে তুমি, দৃঢ় সংগতে।
ঈমানের জ্যোতি তুমি, হৃদয়ে প্রখর,
সত্যের পথে তুমি নির্ভীক, অজর।
খন্দকের যুদ্ধ কিংবা খায়বরের দ্বার,
তোমার পরাক্রমে শত্রু মনে ধরিছে হাহাকার।
তলোয়ার হাতে তুমি দুর্জয় সেনানী,
কাফেরের বিরুদ্ধে বজ্রকঠিন বাণী।
তোমার হৃদয়ে ছিলো অগাধ বিশ্বাস,
ত্যাগের মহিমায়, নিঃস্বার্থ প্রয়াস।
দরিদ্রের বন্ধু তুমি, ন্যায়ের কাণ্ডারী,
ইনসাফের পথে ছিলে সদা আগ্ৰণী।
জ্ঞান বিতরণে তুমি ছিলে সমুজ্জ্বল,
তোমার বাণীতে ফোটে সত্যের কমল।
“নাহজুল বালাগা” আজও জ্ঞানের আধার,
জীবন পথের দিশা, মুক্তির সঞ্চার।
মসজিদে সেজদায় যখন মাথা নত,
বিশ্বের বিস্ময় তুমি, কত উন্নত।
তোমার স্মরণে ভক্তি ভরে মন,
তুমিই তো সেই জ্যোতি, অমলিন, কিরনে।
মসজিদে সেজদারত, বিষের আঘাতেও,
অটল ছিলে ঈমানে, দৃঢ় বিশ্বাসে রতো।
শাহাদাতের পেয়ালা পান করিলে যখন,
কাঁদিল আকাশ, ব্যথিত ত্রিভুবন।
তোমার জীবন গাঁথা, পথের পাথেয়,
সত্য ও ন্যায়ের পথে আজও আলো দেয়।
হে আলী, তোমার স্মরণে ভক্তি জাগে প্রাণে,
প্রণতি জানাই তোমায়, বিনম্র মনে।
সালাম তোমায়, হে আলী মুর্তজা,
তোমার পদধূলি যেন পাই সর্বদা।
