সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

অল্পর জন্য বেঁচে গেলেন সাংবাদিক মিশন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:০৯ পিএম | 148 বার পড়া হয়েছে
অল্পর জন্য বেঁচে গেলেন সাংবাদিক মিশন

পাবনার ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক মুশফিকুর রহমান মিশনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার নুরমহল্লা সাকিনস্থ কোহিনুর বেকারীর সামনের পাকা রাস্তার উপর সাংবাদিক মিশনের উপর এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় বলে জানা যায়।

সাংবাদিক মুশফিকুর রহমান মিশন জাতীয় দৈনিক বিজয় পত্রিকা, সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার ঈশ্বরদী উপজেলা প্রতিনিধি এবং রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক মিশনের স্ত্রী বিথী বেগম বাদী হয়ে মোঃ জুয়েল পিতা-মোঃ ইয়াছিন, মোঃ নয়ন পিতা-মৃত বোদা, মোঃ সোহেল পিতা -মৃত আমিরুল, মোঃ সেলিম পিতা-মোঃ রহমান, মোঃ সোহাগ , পিতা-মোঃ মঞ্জুর, মোঃ বনি পিতা-মোঃ ওবায়দুর সর্বসাংপূর্ব- টেংরী আমবাগান, থানা-ঈশ্বরদী, জেলা-পাবনা গন সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৭ জনের নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৮ জানুয়ারি) ৪নং ওয়ার্ড পূর্ব নুরমহল্লা সাকিনস্থ কোহিনুর বেকারীর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছানো মাত্রই পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া আসামীরা দলবদ্ধভাবে হাতে লাঠি-সোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক মিশনের পথ রোধ করে চারপাশ ঘিরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে, তখন মিশন তাদের গালমন্দ করতে নিষেধ করলে ১নং আসামী জুয়েল হুকুম দিয়ে বলে শালাকে মার প্রানে মেরে ফেল, এই কথা বলা মাত্রই ১নং আসামী সহ অন্যান্য আসামীগন তাহাদের হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া, রামদা, লোহার রড, জিআই পাইপ, লাঠি-সোঁটা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র দ্বারা সাংবাদিক মিশনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ী মারপিট শুরু করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছিলা, ফোলা, কালশিরা, থ্যাতলানো ও রক্তাক্ত জখম করে।

১নং আসামী জুয়েল তার হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দ্বারা হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে মিশনের মাথা সরাইয়া নেয় এবং কোপটি বাম চোখ সহ ভুরুর উপর লেগে মারাত্বক ভাবে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হয়। ২নং আসামী নয়ন তাহার হাতে থাকা ধারালো রামদা দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে উক্ত কোপ বাম হাত দ্বারা ঠেকালে বাম হাতের বাহুতে লেগে কাটা রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয়। ৩নং আসামী সোহেল তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা মাথায় আঘাত করলে ফোলা, কালশিরা জখম হয়। ৪নং আসামী সেলিম তাহার হাতে থাকা লোহার হাতুড়ী দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করিলে উক্ত আঘাত মাথার পিছনে লেগে ফোলা ও থ্যাতলানো জখম হয়। ৫নং আসামী সোহাগ তাহার হাতে থাকা জিআই পাইপ দ্বারা পাঁজরে আঘাত করে কালশিরা ও থ্যাতলানো জখম করে। ৬নং আসামী বনি তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা পিঠে আঘাত করে কালশিরা ও থ্যাতলা জখম করে। পাকা রাস্তার উপর পরিয়া গেলে ২নং আসামী নয়ন গলার উপর পা দিয়ে চেপে ধরে রাখে এবং অন্যান্য আসামীগন বুক, তলপেট, পাঁজরে উপর্যুপরি লাথি কিল ঘষি মেরে জখম করে। ৫নং আসামী সোহাগ সাংবাদিক মিশনের প্যান্টের পিছন পকেটে ম্যানিব্যাগে থাকা নগদ ১৪,৩০০/-(চৌদ্দ হাজার তিনশত) টাকা অসৎ উদ্দেশ্যে বের করে নেয়। মিশন বাঁচাও বাঁচাও বলিয়া ডাক চিৎকার করিতে থাকিলে আশে পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে অনেকে আগাইয়া আসে আসামীগন সাংবাদিক কে খুন জখম করার হুমকী ধামকী ও বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়।

তখন স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় দ্রুত রিক্সা যোগে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।

আবু কাওসার মাখন রাজশাহী

রাসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাহাফুজুর রহমান রিটন

আবু কাওসার মাখন রাজশাহী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪২ পিএম
রাসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাহাফুজুর রহমান রিটন

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। সোমবার দুপুরে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দুপুর ২টার দিকে নগর ভবনের প্রশাসকের কক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ.ন.ম. বজলুর রশীদ তাকে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন নতুন প্রশাসক কে।

দায়িত্ব গ্রহণের আগে দুপুর ১২টার দিকে মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

নবনিযুক্ত নগর প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “আমি আপনাদের প্রশাসক হিসেবে নয়, সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ঈদের আগে নামাজ সুষ্ঠভাবে ব্যবস্থাপনা করা আমার প্রথম কাজ। বর্তমানে নগরী অপরিচ্ছন্ন রয়েছে, সেটা ঈদের আগে নিরসন করতে চাই। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা খারাপ, জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবো। নগরীতে মশার উৎপাতও বেড়েছে, ইনশাআল্লাহ সেই মশা দমন করব। নগরীর চলমান কাজগুলো কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করবো।

উন্নয়নের জোয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে

গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির জমকালো উদ্বোধন

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির জমকালো উদ্বোধন

রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব ও জলবদ্ধতা নিরসনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ সোমবার গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘খাল খনন কর্মসূচি’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

​এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভূমি মন্ত্রী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মিনু ফিতা কেটে এবং খনন কাজের সূচনা করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

​অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
​মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ শরীফ উদ্দীন: সদস্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল।
​জনাব মোঃ রেহান আসাদ রাতুল: মাননীয় উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী), ডাক ও টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

​উদ্বোধনী বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা কথা দেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজকের এই খাল খনন কর্মসূচি কেবল একটি মাটি কাটার কাজ নয়, এটি এই অঞ্চলের হাজার হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোর অঙ্গীকার।
​প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসাদ রাতুল তার বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গ্রামকে শহরে রূপান্তরের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক ড্রেনেজ ও সেচ ব্যবস্থা অপরিহার্য। আজকের এই উদ্যোগ রাজশাহীর কৃষি অর্থনীতিতে গতির সঞ্চার করবে।

​জনমনে আশার আলো
​স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেচের অভাবে এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ফসলহানি ঘটত। এই খাল খনন শেষ হলে গোদাগাড়ীর ফসলি জমিতে তিন মৌসুমে চাষাবাদ করা সম্ভব হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
​সংক্ষিপ্ত বার্তা: জননেতা তারেক রহমানের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিএনপির এই পদক্ষেপ গোদাগাড়ীবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাবনা জেলার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুর থানার ওসি শামীম আকনজি

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম
পাবনা জেলার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুর থানার ওসি শামীম আকনজি

পাবনা জেলার ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আকনজি ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে জেলার সকল ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণকে কার্যকর ও দ্রুত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের মূল্যায়নে দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তাকে এ মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে মনোনীত করা হয়। ফরিদপুর থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

এ অর্জনের জন্য ওসি শামীম আকনজি পাবনা জেলার মান্যবর পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি তিনি তার সহকর্মীদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

ওসি শামীম আকনজি বলেন, যেকোনো পুরস্কার বা মূল্যায়ন একজন কর্মকর্তার কাজের গতিকে আরও বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে নতুন উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা যোগায়। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

error: Content is protected !!