শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

শেখ হাসিনাকে নিয়ে যা ভাবছে ভারত সরকার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪, ১:১৩ পিএম | 194 বার পড়া হয়েছে
শেখ হাসিনাকে নিয়ে যা ভাবছে ভারত সরকার

প্রায় আড়াই মাস হতে চলল বাংলাদেশ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান নিয়েছেন। তারপর থেকে তাকে আর এক মুহূর্তের জন্যও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও তার কোনও ছবি ‘লিক’ হয়নি, নানা কথিত ফোনালাপের অডিও ফাঁস হলেও সেগুলো যে তারই কণ্ঠস্বর তারও কোনও প্রমাণ মেলেনি। ভারতে নামার পর থেকে তিনি যেন কার্যত হাওয়ায় মিলিয়ে গেছেন!

ছোটবোন শেখ রেহানা নিয়ে দিল্লিতে নামার পর থেকে শেখ হাসিনা কীভাবে আছেন, কোথায় আছেন তা নিয়ে ভারত সরকারের মুখপাত্র, মন্ত্রী বা নীতি-নির্ধারকরা আজ পর্যন্ত একটি শব্দও খরচ করেননি। কোনও সাংবাদিক সম্মেলনেও না, কোনও সাক্ষাৎকারেও না।

তবে ভারত সরকার বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ও পরোক্ষে এটুকু শুধু জানিয়েছে যে, তিনি এখনও ভারতেই অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারত সরকার সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখতে সফল হয়েছে এটা যেমন ঠিক, তাকে কতদিন ভারতে রাখতে হবে সে ব্যাপারে দিল্লি কিন্তু এখনও পুরোপুরি অন্ধকারে।

দিল্লির সাউথ ব্লকের একজন শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তার ধারণা, বেশ লম্বা সময়ের জন্যই শেখ হাসিনাকে ভারতে থাকতে দিতে হবে। এই বাস্তবতার জন্যই সরকার এখন ক্রমশ প্রস্তুত হচ্ছে।

তাহলে কি অতীতে যেভাবে তিব্বতি ধর্মগুরু দালাইলামা বা আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহর স্ত্রী-সন্তানদের ভারত ‘পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম’ বা রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে?

এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে দিল্লিতে বিবিসি বাংলা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছে। তার ভিত্তিতে যে উত্তরটা পাওয়া যাচ্ছে তা মোটামুটি এরকম :

প্রথমত, ভারতের চোখে এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা হলেন একজন ‘গেস্ট, বাট আন্ডার কমপালশন!’ অর্থাৎ তিনি রাষ্ট্রের একজন সম্মানিত অতিথি– যাকে বিশেষ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে ভারতে চলে আসতে হয়েছে। নিজ দেশে তার নিরাপত্তা বা সুরক্ষা বিপন্ন হয়ে উঠেছিল বলেই তিনি ভারতে এসেছেন, এটাও ভারত খুব ভালো করেই জানে। এখন এই ‘অতিথি’র স্ট্যাটাসেই তাকে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এ দেশে রেখে দেওয়া যেতে পারে– ভারতের তাতে কোনও অসুবিধা নেই। দেশের পুরনো বন্ধু ও অতিথি হিসেবে তিনি সব প্রাপ্য সম্মানই পাবেন।

দ্বিতীয়ত, পরে পরিস্থিতি অন্যরকম হলে অন্য কিছু ভাবা যাবে। কিন্তু এই মুহূর্তে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা ভারতের নেই। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি নিজেও অ্যাসাইলামের জন্য কোনও আবেদন করেননি। কিন্তু যদি সত্যিই পরে সেরকম কোনও প্রস্তাব আসে, ভারত সরকার জানে এ ব্যাপারে দেশের সব দলই একমত হবে এবং শেখ হাসিনাকে অ্যাসাইলাম দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করা কোনও সমস্যাই হবে না।

কিন্তু এখনই আগ বাড়িয়ে এরকম কোনও পদক্ষেপ দিল্লি নিতে চাইছে না। ফলে এক কথায় বলতে গেলে, আপাতত ভারত শেখ হাসিনাকে ‘আতিথেয়তা’ দিতে চাইছে ‘আশ্রয়’ নয়।

শেখ হাসিনা এখনও ভারতেই আছেন, ভারত সরকার এটা কনফার্ম করলেও তিনি রাজধানী দিল্লিতেই আছেন কি না– সেটা কিন্তু নিশ্চিত নয়। শেখ হাসিনা ঠিক কোথায় থাকতে পারেন, তা নিয়ে দু’রকম জল্পনা শোনা যাচ্ছে– ক) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দিল্লিতে কর্মরত মেয়ে সাইমা ওয়াজেদের বাসভবনে তার সঙ্গেই শেখ হাসিনাকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খ) দিল্লির কাছে উত্তরপ্রদেশের মীরাট বা হরিয়ানার মানেসরে একটি আধাসামরিক বাহিনীর অতিথিনিবাস বা ‘সেফ হাউসে’ তিনি থাকছেন।

শেখ হাসিনাকে গত আড়াই মাসের মধ্যে দিল্লির বিখ্যাত লোদি গার্ডেনে মর্নিংওয়াক করতেও দেখা যায়নি, তিনি রাজধানীর কোনও সুপারস্টোরে কেনাকাটাও করতে যাননি। এগুলো শতকরা একশভাগ গুজব– এই সব দাবির স্বপক্ষে কেউ কোনও ছবিও দেখাতে পারেনি, কেউ তাকে ওসব জায়গায় নিজের চোখে দেখেছে এমন দাবি নিয়েও এগিয়ে আসেনি।

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!