সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:০৯ এএম | 99 বার পড়া হয়েছে
জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

আইন ও বিচার, সংসদ, নির্বাচন ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি, সংবিধান, পররাষ্ট্র, ধর্ম, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ ১০টি খাতে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর এক অভিজাত হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাবনা তুলে ধরেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন।

সংস্কারের প্রস্তাবনা তুলে ধরে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজন। বিচার বিভাগ সংস্কার করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আইন কমিশন গঠন করতে হবে। সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করতে হবে। সর্বোচ্চ পাঁচ ও তিন বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। সংসদে বিরোধীদলের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংবিধানে স্থায়ীভাবে তত্ত্বাধায়ক ব্যবস্থা যুক্ত করতে হবে। একদিনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। কোনো সরকারি চাকরিজীবী অবসরের তিন বছরের আগে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে। পুলিশে ধর্মীয় শিক্ষা চালু করতে হবে। রিমান্ডে নেয়ার সময় পরিবারের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। র‌্যাব সংস্কার করতে হবে। যাতে বাহিনীর প্রতি আস্থা ফিরে আসে। এক্ষেত্রে যারা আগে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের বাহিনীতে রাখা যাবে না।

ডা. তাহের বলেন, জনপ্রশাসনে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে। সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে। কোনো ফি রাখা যাবে না। আগামী ২ বছরের জন্য চাকরিতে ৩৫ বছর, পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর করার প্রস্তাবনা করছি। চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে। যারা চাকরিতে থেকে দুর্নীতি ও অন্যায় করেছেন তাদেরকে বহিষ্কার করতে হবে। দুদকে যোগ্য, দক্ষ এবং সৎ ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে। এক ব্যক্তি পর পর দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সকল শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং মহানবী (সা.) এর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতির সংস্কার করতে হবে। প্রাণীর মূর্তি নির্মাণ না করে দেশি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। পররাষ্ট্র ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এজন্য একটি রিভিউ কমিশন গঠন করা যেতে পারে। বাংলাদেশকে আসিয়ানের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।

জাহিদ হোসেন, চাঁদপুর

চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

জাহিদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে চাঁদপুর হকার্স মার্কেট ও শপিংমলগুলো। রমজানের শেষ দিকে এসে কেনাকাটার ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ। নতুন পোশাক ও আকর্ষণীয় কালেকশন নিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা, আর পরিবারের জন্য পছন্দের জিনিস কিনতে মার্কেটমুখী হচ্ছেন ক্রেতারা। তবে এবারের ঈদবাজারে পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই।

চাঁদপুরে ঐতিহ্যবাহী হকার্স মার্কেটে এখন উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের চাপ বেশি। শাড়ি, থ্রিপিস, জুতা ও প্রসাধনীসহ নানা পণ্যের সমাহারে সাজানো হয়েছে দোকানগুলো। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে মানুষের উপস্থিতি।

ক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে পোশাকের বৈচিত্র্য থাকলেও দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে এসে অনেকেই বাজেটের চাপ অনুভব করছেন। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মতে, পোশাকের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলে কেনাকাটা আরও সহজ হতো।

হকার্সের বিভিন্ন দেকানে ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর নারী পোশাকের মধ্যে ‘সারারা’, ‘গারারা’, ‘ফারসি’ ও পাকিস্তানি স্টাইলের পোশাকের চাহিদা বেশি। এসব পোশাকের দাম প্রায় তিন হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে জামদানি ও সিল্ক জামদানির মতো শাড়িও ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। এসব শাড়ির দাম দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে থাকায় বিক্রিও তুলনামূলক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের বাজারে বিক্রি সন্তোষজনক। রমজানের শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও শেষ সময়ে এসে বেচাকেনা আরও বেড়েছে। অনেক দোকানেই বিভিন্ন ধরনের নতুন ডিজাইনের পোশাক আনা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারেন।

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি নাজমুল হুদা (৪৬) কে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মোটরসাইকেলে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার পথে কর্নগোপ রহিম মার্কেট এলাকায় মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ৪জন সন্ত্রাসী এ হুমকি দেয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক নাজমুুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে জাগো নিউজে সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবজিসহ অপরাধমূলক সংবাদ প্রচার করায় সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে নাজমুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫জনকে অভিযুক্ত করে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাংবাদিক নাজমুল হুদার এ হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, পূর্বাচলের সাংবাদিক কার্যালয় ও পূর্বাচল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে। অবিলম্বে সাংবাদিকের হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানায়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী

খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

” খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।” পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা নিজ এলাকা পটুয়াখালী -৩ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় খাল খননে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।নিজ এলাকায় খাল খননের উদ্বোধন করতে গিয়ে মাটি কেটে ওরায় করে মাথায় নিয়ে ফেললেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর,পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করে তিনি।সবাই বলছেন পিতার দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। তাই সকলে তাঁর জন্য দোয়া করবেন – যেন দীর্ঘদিন বাংলাদেশের সেবা করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করে যেতে পারে।আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকায় গলাচিপায় খাল খনন কর্মসূচি ও ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় গলাচিপাবাসীর বহুল প্রত্যাশিত রামনাবাদ সেতুর উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবো।
দলমত নির্বিশেষে সকলে আমন্ত্রিত।
জনাব নুরুল হক নূর এমপি,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী- (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
সভাপতি- গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)
সাবেক- ভিপি (ডাকসু)তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে কৃষিতে যে অগ্রগতি ও শস্য বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তার পথ অনুসরন করে আমরা কৃষিতে বিপ্লব আনতে চাই। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সোমবার দুপুরে গলাচিপা উপজেলা খালের খনন কাজ উদ্বোধন উপলক্ষে এসব কথা বলেন। তিনি আর-ও বলেন কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। সকল দল,মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করবো নুরুল হক নুর
বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,জুলাই গনঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহিদদের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি আরও বলেন,বিএনপি যা বলে তাই করে৷ সরকারের নেয়া কর্মসূচির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেছে। মাত্র অল্প সময়ের ব্যবধানে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পটুয়াখালী -৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে সারাদেশ ব্যাপী একযোগে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। যারা বলেছিলেন ফ্যামিলি কার্ড হবেনা,সে ধারনা ভুল প্রমানিত করে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন,আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কৃষি কার্ড কৃষকদের মাঝে পৌঁছে যাবে। জেলা প্রশাসক
সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ,বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

error: Content is protected !!