সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

টাইম সাময়িকীর বিশ্লেষণ

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বলতাই কি দেশে ফেরবে শেখ হাসিনাকে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৫৪ এএম | 127 বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বলতাই কি দেশে ফেরবে শেখ হাসিনাকে

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা কি আর কখনও ফিরতে পারবেন কিনা তা নিয়ে নানা সংশয় রয়েছে। তবে রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ফেরা আর সম্ভব হবে না বলেই মনে করেন দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টাইম সাময়িকীর এক বিশ্লেষণে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, অন্তর্বতীকালীন সরকারের দুর্বলতাই কি দেশে ফেরাবে শেখ হাসিনাকে?

টাইম সাময়িকীর বিশ্লেষণে বলা হয়, আন্দোলনে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং আরও কয়েক হাজার আহত হয়েছেন। এইসব ঘটনায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও মন্ত্রী, এমপিদের নামে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে আসামি করে দেশজুড়ে দায়ের করা হয়েছে শতাধিক হত্যা মামলা। এক কথায় শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে শেখ হাসিনার চরম নেতিবাচক একটি ভাবমূর্তি তৈরি করেছে।

এদিকে শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে আওয়ামী লীগ কার্যত নিষ্ক্রিয়। ইতোমধ্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। সেই সরকার এবং সরকারের সমর্থকরা তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখী করতে চাইছেন। তবে ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, তাতে এই মুহূর্তে তাকে দেশে ফেরত আনা যে প্রায় অসম্ভব, তা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও সরকারের সমর্থকরাও জানেন।

শেখ হাসিনা যখন দেশ ত্যাগের পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ সবার মধ্যে এমন একটি ধারণা দৃঢ় ছিল যে ৭৫ বছর বয়সী আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বাকি জীবন কাটবে নির্বাসিত অবস্থাতেই। কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং তার পরবর্তী ফলাফল দেশে-বিদেশে শেখ হাসিনার এমন নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছে যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার ফেরা আর সম্ভব হবে না।

তবে সম্প্রতি এই ধারণা বা বিশ্বাস ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাওয়ার অবস্থাও তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতির যে নেতৃত্বশূন্যতা, সেটিই এক সময় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আসার পথ এবং রাজনীতি করার সুযোগ তৈরী করে দেবে।

নরওয়ের অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক এবং বাংলাদেশের নাগরিক মোবাশ্বের হাসান এ প্রসঙ্গে টাইম সাময়িকীকে বলেন, “বর্তমানে ক্ষমতাসীন সরকার বৈধতা রয়েছে, জনসমর্থনও রয়েছে; কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত কোনো সরকার নয়। এই সরকারের কোনো ম্যান্ডেট নেই। শেখ হাসিনা যদি চান, তাহলে এই দুর্বলতাকে ব্যবহার করে এক সময় দেশে ফিরে আসতে পারবেন। এটা কেবলই সময়ের অপেক্ষা।”

যুক্তরাষ্ট্রের থিঙ্কট্যাংক সংস্থা উইলসন সেন্টারের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যানও এমনটা মনে করেন। টাইম সাময়িকীকে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন শুধু সম্ভবই নয়, খুবই সম্ভব। কারণ পরিবারতন্ত্র দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। যুগ যুগ ধরে দক্ষিণ এশিয়ায় এটি চলে আসছে। মাত্র একটি বাংলাদেশে এই সংস্কৃতির অবসান ঘটবে— এমনটা প্রত্যাশা করা যায় না।”

“তারপরও হয়তো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যেতো, যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হতো। কিন্তু দেশটির যে রাজনৈতিক বাস্তবতা, তাতে এটি একেবারেই সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ এখনও বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল।”

বাংলাদেশের থিঙ্কট্যাংক সংস্থা সেন্টার ফর গভার্নেন্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান টাইম ম্যাগাজিনকে এ প্রসঙ্গে বলেন, “যে পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং তার চলে যাওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগ যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে আগামী এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকবে— তা একেবারেই ভিত্তিহীন কল্পনা।”

“তবে এই সরকার যদি সার্বিকভাবে ভেঙে পড়ে, তাহলে যে কোনো কিছুই সম্ভব।”

এবং এই সরকারের ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বেশ ভালোভাবেই রয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশেল সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষক শহীদুল হক। টাইম ম্যাগাজিনকে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। পনের বছর অনেক দীর্ঘ সময়। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পুরো আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনকে নিজের মতো করে সাজিয়েছে দলটি। বর্তমান সরকার কয়েকজন চিহ্নিত আমলা ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পুরো প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো এই সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।”

“তাছাড়া প্রশাসন ঢেলে সাজাতে গেলে আমলাতন্ত্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হবে। অন্তর্বর্তী সরকার পারতপক্ষে কোনোভাবেই এ ঝুঁকি নিতে চাইবে না। এই প্রশাসন এবং আমলাতন্ত্রই আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে ফের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনবে।”

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি নাজমুল হুদা (৪৬) কে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মোটরসাইকেলে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার পথে কর্নগোপ রহিম মার্কেট এলাকায় মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ৪জন সন্ত্রাসী এ হুমকি দেয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক নাজমুুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে জাগো নিউজে সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবজিসহ অপরাধমূলক সংবাদ প্রচার করায় সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে নাজমুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫জনকে অভিযুক্ত করে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাংবাদিক নাজমুল হুদার এ হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, পূর্বাচলের সাংবাদিক কার্যালয় ও পূর্বাচল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে। অবিলম্বে সাংবাদিকের হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানায়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী

খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

” খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।” পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা নিজ এলাকা পটুয়াখালী -৩ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় খাল খননে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।নিজ এলাকায় খাল খননের উদ্বোধন করতে গিয়ে মাটি কেটে ওরায় করে মাথায় নিয়ে ফেললেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর,পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করে তিনি।সবাই বলছেন পিতার দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। তাই সকলে তাঁর জন্য দোয়া করবেন – যেন দীর্ঘদিন বাংলাদেশের সেবা করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করে যেতে পারে।আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকায় গলাচিপায় খাল খনন কর্মসূচি ও ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় গলাচিপাবাসীর বহুল প্রত্যাশিত রামনাবাদ সেতুর উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবো।
দলমত নির্বিশেষে সকলে আমন্ত্রিত।
জনাব নুরুল হক নূর এমপি,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী- (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
সভাপতি- গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)
সাবেক- ভিপি (ডাকসু)তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে কৃষিতে যে অগ্রগতি ও শস্য বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তার পথ অনুসরন করে আমরা কৃষিতে বিপ্লব আনতে চাই। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সোমবার দুপুরে গলাচিপা উপজেলা খালের খনন কাজ উদ্বোধন উপলক্ষে এসব কথা বলেন। তিনি আর-ও বলেন কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। সকল দল,মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করবো নুরুল হক নুর
বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,জুলাই গনঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহিদদের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি আরও বলেন,বিএনপি যা বলে তাই করে৷ সরকারের নেয়া কর্মসূচির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেছে। মাত্র অল্প সময়ের ব্যবধানে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পটুয়াখালী -৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে সারাদেশ ব্যাপী একযোগে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। যারা বলেছিলেন ফ্যামিলি কার্ড হবেনা,সে ধারনা ভুল প্রমানিত করে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন,আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কৃষি কার্ড কৃষকদের মাঝে পৌঁছে যাবে। জেলা প্রশাসক
সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ,বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক বিভাগ।

রোববার সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে শারজাহ থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক শাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় দুই যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে মোট ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
আটক যাত্রীরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা হাসান মিয়া এবং কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিমুল করিম।
শুল্ক বিভাগ জানায়, উদ্ধার করা সিগারেট বিভাগীয় নথিভুক্ত মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক দুই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!